সংবাদদাতা, মানকর: বেঙ্গালুরুতে কাজ করতে গিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ তুলে বুধবার কাঁকসা থানার দ্বারস্থ হল এক শ্রমিকের পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, বেঙ্গালুরু থেকে ফোন করে মৃতদেহ আনার জন্য বলা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম সতীশ মণ্ডল(৩২)। পানাগড় ক্যানেলপাড় এলাকায় তাঁর বাড়ি। এবিষয়ে কাঁকসা থানার এসিপি সুমনকুমার জয়সওয়াল বলেন, বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কালীপুজোর পর বেঙ্গালুরুতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়েছিলেন সতীশবাবু। গত রবিবার স্ত্রী জ্যোৎস্না মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। সোমবার সকালে তাঁর স্ত্রীকে অন্য একজন শ্রমিক ফোন করে জানায়, সতীশ মারা গিয়েছে। কিন্তু কিভাবে মারা গিয়েছে তা জানি না। উত্তরে জ্যোৎস্ন বলেন, আমার স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। স্বামীর দেহ না পেলে আমি থানায় যাব। সঙ্গে সঙ্গে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। জ্যোৎস্নাদেবীর অভিযোগ, আমার স্বামী কাজ করেছে। কিন্তু এক টাকাও দেয়নি। স্বামীর মোবাইলটিও পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের বলা হয়েছে, মৃতদেহ এখন বেঙ্গালুরু থানায় আছে। তবে সেটাও সত্যি কি না, বুঝতে পারছি না।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পাড়ার একজন ঠিকাদার সতীশবাবুকে বেঙ্গালুরু নিয়ে গিয়েছিলেন। রবিবার রাতে জ্যোৎস্নাদেবীকে ফোন করে বলা হয়, তাঁর স্বামী ওখানে ঝামেলা করছে। তারপরেই ফোন কেটে যায়। ফোন রিচার্জ না করায় জ্যোৎস্নাদেবী ওইদিন রাতে আর ফোন করতে পারেননি। সোমবার খবর পান, তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ সতীশকে কাজে নিয়ে যাওয়া ঠিকাদার মৃত্যুর কোনও খবর পরিবারকে জানাননি। শুধু তাই নয়, সোমবার সতীশবাবুর মৃত্যু হলেও দু’দিন পর বুধবার সকালে তিনি সরাসরি দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য ফোন করেন। কেন এতদিন পরে এভাবে খবর দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সতীশবাবুর পরিবারের লোকজন। মৃতের পরিবারের তরফে দেহ বেঙ্গালুরু থেকে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বললে ফোনেই বচসা হয় বলে দাবি।
মৃতের দাদা শম্ভু মণ্ডল বলেন, ঠিকাদার ফোন করে বুধবার বলছে, ভাইয়ের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা চাই, দোষীদের শাস্তি হোক। কাঁকসা থানার পুলিস বিষয়টি দেখছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পাড়ার একজন ঠিকাদার সতীশবাবুকে বেঙ্গালুরু নিয়ে গিয়েছিলেন। রবিবার রাতে জ্যোৎস্নাদেবীকে ফোন করে বলা হয়, তাঁর স্বামী ওখানে ঝামেলা করছে। তারপরেই ফোন কেটে যায়। ফোন রিচার্জ না করায় জ্যোৎস্নাদেবী ওইদিন রাতে আর ফোন করতে পারেননি। সোমবার খবর পান, তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ সতীশকে কাজে নিয়ে যাওয়া ঠিকাদার মৃত্যুর কোনও খবর পরিবারকে জানাননি। শুধু তাই নয়, সোমবার সতীশবাবুর মৃত্যু হলেও দু’দিন পর বুধবার সকালে তিনি সরাসরি দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য ফোন করেন। কেন এতদিন পরে এভাবে খবর দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সতীশবাবুর পরিবারের লোকজন। মৃতের পরিবারের তরফে দেহ বেঙ্গালুরু থেকে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বললে ফোনেই বচসা হয় বলে দাবি।
মৃতের দাদা শম্ভু মণ্ডল বলেন, ঠিকাদার ফোন করে বুধবার বলছে, ভাইয়ের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা চাই, দোষীদের শাস্তি হোক। কাঁকসা থানার পুলিস বিষয়টি দেখছে।



