সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: দু’মাস ধরে বেঙ্গল সাফারিতে বন্ধ রয়েছে হাতি সাফারি। প্রতিদিনই দর্শকের ভিড় উপচে পড়ছে। বিশেষ দিনগুলিতে রেকর্ড পরিমাণ আয় হচ্ছে। কিন্তু দর্শকরা এসে হাতি সাফারি করতে পারছেন না। খোলা বনাঞ্চলে একটি হাতিকে দেখেই পর্যটকদের সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। এতেই হতাশ হচ্ছেন পর্যটকরা। সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য চারটি হাতি চেয়ে কেন্দ্রীয় জু অথরিটির কাছে প্রস্তাব পাঠাল বেঙ্গল সাফারি কর্তৃপক্ষ। দু’টি হাতি নিয়ে সাফারি হতো। সমস্যা দেখা দেয় নভেম্বরে একটি হাতি, লক্ষ্মী মারা যাওয়ায়। সঙ্গী হারিয়ে একা অবসর জীবন কাটাচ্ছে ঊর্মিলা।
Advertisement
বার্ধক্যজনিত কারণে গত বছরের ১৬ নভেম্বর ৬৮ বছর বয়সে মৃত্যু হয় কুনকি হাতি লক্ষ্মীর। আর একটি কুনকি হাতি ঊর্মিলা থাকলেও, বয়সজনিত কারণে তার পক্ষে একা সাফারি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তাই লক্ষ্মীর মৃত্যুর পর থেকে বন্ধ রয়েছে হাতি সাফারি। এখন খোশমেজাজে অবসর জীবন কাটাচ্ছে ঊর্মিলা। বেঙ্গল সাফারি কর্তৃপক্ষ তার দিকে সব সময় নজর রাখছে। সকাল-বিকেল পালা করে তাকে খাওয়া দাওয়া করানো হচ্ছে। পর্যটকদের দেখার জন্য সাফারির ভিতরেই মুক্ত বনাঞ্চলে ঊর্মিলাকে ছেড়ে রাখা হয়েছে।
তবে ফের হাতি সাফারি শুরু করতে কেন্দ্রীয় জু-অথরিটির কাছে চারটি হাতির জন্য বনদপ্তর প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, হাতির সংখ্যা কম রয়েছে। তাই কোথা থেকে হাতি আনা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ঊর্মিলার জন্য গোরুমারা বা জলদাপাড়া থেকে এক জোড়া হাতি পাঠানোর প্রাথমিক চিন্তাভাবনা করছে বনদপ্তর।
এদিকে, শীতের পর্যটন মরশুমে বেঙ্গল সাফারি পার্কে পর্যটকের ভিড় বেড়েই চলেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর, ১ ও ২৬ জানুয়ারি রেকর্ড আয় করেছে বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। একদিনে সর্বোচ্চ প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে ১ জানুয়ারি। হাতি সাফারি শুরু হলে আয় আরও বাড়বে। তাই এবার চারটি হাতি চেয়েছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।
বেঙ্গল সাফারি পার্কের ডিরেক্টর বিজয় কুমার বলেন, লক্ষ্মীর মৃত্যুর পর হাতি সাফারি বন্ধ রাখা হয়েছে। একা ঊর্মিলাকে দিয়ে হাতি সাফারি করা সম্ভব নয়। আমরা জু-অথরিটির সঙ্গে আলোচনা করে হাতি আনার ব্যবস্থা করছি। কবে হাতি পাওয়া যাবে তা ঠিক নেই। তাই হাতি সাফারি ফের কবে থেকে চালু হবে তা বলা যাচ্ছে না।
তবে ফের হাতি সাফারি শুরু করতে কেন্দ্রীয় জু-অথরিটির কাছে চারটি হাতির জন্য বনদপ্তর প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, হাতির সংখ্যা কম রয়েছে। তাই কোথা থেকে হাতি আনা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ঊর্মিলার জন্য গোরুমারা বা জলদাপাড়া থেকে এক জোড়া হাতি পাঠানোর প্রাথমিক চিন্তাভাবনা করছে বনদপ্তর।
এদিকে, শীতের পর্যটন মরশুমে বেঙ্গল সাফারি পার্কে পর্যটকের ভিড় বেড়েই চলেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর, ১ ও ২৬ জানুয়ারি রেকর্ড আয় করেছে বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। একদিনে সর্বোচ্চ প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে ১ জানুয়ারি। হাতি সাফারি শুরু হলে আয় আরও বাড়বে। তাই এবার চারটি হাতি চেয়েছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।
বেঙ্গল সাফারি পার্কের ডিরেক্টর বিজয় কুমার বলেন, লক্ষ্মীর মৃত্যুর পর হাতি সাফারি বন্ধ রাখা হয়েছে। একা ঊর্মিলাকে দিয়ে হাতি সাফারি করা সম্ভব নয়। আমরা জু-অথরিটির সঙ্গে আলোচনা করে হাতি আনার ব্যবস্থা করছি। কবে হাতি পাওয়া যাবে তা ঠিক নেই। তাই হাতি সাফারি ফের কবে থেকে চালু হবে তা বলা যাচ্ছে না।



