সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: বার্ড ফ্লু সর্তকতা হিসেবে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে পশুদের খাদ্যতালিকায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে মুরগির মাংস। পাশাপাশি পার্কে আসা পর্যটক ও যানবাহন প্রবেশের ক্ষেত্রে সবরকম সর্তকতা জারি করা হয়েছে। স্যানিটাইজার সহ সবরকম সাবধানতা নেওয়া হয়েছে। বেঙ্গল সাফারির ডিরেক্টর বিজয় কুমার বলেন, এখনও কোনও পশুপাখির বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর নেই। সর্তকতা হিসেবেই এই সাবধানতা।
Advertisement
ডিরেক্টর আরও বলেন, সেন্ট্রাল জু অথরিটির নির্দেশে গত ডিসেম্বর মাস থেকে বেঙ্গল সাফারিতে বিভিন্ন পশুদের খাবারের তালিকা থেকে মুরগির মাংস বাদ দেওয়া হয়েছে। বার্ড ফ্লু’র সর্তকতা হিসেবেই এই নির্দেশিকা আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত জারি থাকবে।
এদিকে, বেঙ্গল সফারিতেতে পশুদের খাদ্যতালিকা থেকে মুরগির মাংস বাদ দেওয়ার খবরে চিন্তিত মুরগি বিক্রেতারা। ডিসেম্বর মাস থেকে এই নির্দেশিকা মানা হচ্ছে সাফারি পার্কে। কিন্তু সম্প্রতি এ খবর প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই শিলিগুড়ির বাজারে মুরগির দামের পতন নিয়ে চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের আশঙ্কা, এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে মুরগির মাংসের বাজারে জোর ধাক্কা লাগবে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের আশঙ্কা, এ খবর জানার পর বহু মানুষ বার্ড ফ্লু’র আতঙ্কে মুরগির মাংস থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।
শিলিগুড়ি টাউন স্টেশন বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী শঙ্কর দাস, রথখোলা বাজারের গণেশ ঘোষ বলেন, এর আগেও বার্ড ফ্লু সংক্রমণের সময় মুরগির মাংসের দাম তলানিতে ঠেকেছিল। আতঙ্কে মানুষ মুরগির মাংস খাওয়ার ছেড়ে দিয়েছিল। আমরা ব্যবসায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। জানি না, এবার কী হবে।
যদিও বুধবার পর্যন্ত শিলিগুড়ির খোলাবাজারে গোটা পোল্ট্রি মুরগি দেড়শো টাকা এবং কাটা ড্রেসিং করা পোল্ট্রি মুরগি আড়াইশো টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
এদিকে, বেঙ্গল সফারিতেতে পশুদের খাদ্যতালিকা থেকে মুরগির মাংস বাদ দেওয়ার খবরে চিন্তিত মুরগি বিক্রেতারা। ডিসেম্বর মাস থেকে এই নির্দেশিকা মানা হচ্ছে সাফারি পার্কে। কিন্তু সম্প্রতি এ খবর প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই শিলিগুড়ির বাজারে মুরগির দামের পতন নিয়ে চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের আশঙ্কা, এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে মুরগির মাংসের বাজারে জোর ধাক্কা লাগবে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের আশঙ্কা, এ খবর জানার পর বহু মানুষ বার্ড ফ্লু’র আতঙ্কে মুরগির মাংস থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।
শিলিগুড়ি টাউন স্টেশন বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী শঙ্কর দাস, রথখোলা বাজারের গণেশ ঘোষ বলেন, এর আগেও বার্ড ফ্লু সংক্রমণের সময় মুরগির মাংসের দাম তলানিতে ঠেকেছিল। আতঙ্কে মানুষ মুরগির মাংস খাওয়ার ছেড়ে দিয়েছিল। আমরা ব্যবসায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। জানি না, এবার কী হবে।
যদিও বুধবার পর্যন্ত শিলিগুড়ির খোলাবাজারে গোটা পোল্ট্রি মুরগি দেড়শো টাকা এবং কাটা ড্রেসিং করা পোল্ট্রি মুরগি আড়াইশো টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।



