সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বাণগড়ের পতিত জমিতে চলছে চাষাবাদ। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (এএসআই) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র বাণগড়ের পতিত জমিতে দেদারে চাষাবাদ চলায় এএসআইয়ের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটকরাও।
Advertisement
শীত পড়তেই বাণগড়ে ভিড় বাড়ে। বাণগড়ের দুদিকে রয়েছে একাধিক পরিখা ও প্রাচীন স্থাপত্য। কিন্তু বাণগড়ের স্থাপত্যের মাঝের জমিতে দেদারে শুরু হয়েছে চাষাবাদ। কী করে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়া শুরু হয়েছে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। জলপাইগুড়ির রিমঝিম ইয়াসমিন বলেন, এরকম ঐতিহাসিক জায়গায় চাষাবাদ হবে কেন? এটা মানা যায় না।
২০২৩ সালে জেলা ভূমিদপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে এএসআই এখনও পর্যন্ত বাণগড়ে ৬৫০ একর জমি চিহ্নিত করেছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এএসআইকে প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। বাণগড় ফেন্সিংয়ের কাজ ও সৌন্দর্যায়ন জন্য। যদিও সেই প্রকল্পের কাজ কবে শুরু হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন জেলার শাসক শিবির। এবারে খোদ গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায় কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা এএসআইয়ের নজরদারি ও তাদের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিজেপি বিধায়ক বলেন, এএসআইয়ের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়, আমি একাধিকবার দিল্লিতে গিয়ে কথা বলেছি ও আধিকারিকদের চিঠিও লিখে জানিয়েছি। বাণগড়ের জমি বেদখল হচ্ছে। অজানা কারণে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের কাজ শুরু হল না। এএসআই কোনও নজর দেয় না। বাণগড়ের বিষয় নিয়ে আমি আবারও এসপ্তাহে দিল্লি যাচ্ছি। কীকারণে এত অবহেলা? সেবিষয়ে জানব। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দেব।
বাণগড়ের অবহেলা নিয়ে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন তৃণমূল নেতা গৌতম দাস। বলেছেন, লোকসভার আগে বাণগড়ের জন্য যে আর্থিক বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র, তা শুধু নির্বাচনের চমক। বিজেপির জনপ্রতিনিধিরাই আসলটা বুঝতে পেরে এখন অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
২০২৩ সালে জেলা ভূমিদপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে এএসআই এখনও পর্যন্ত বাণগড়ে ৬৫০ একর জমি চিহ্নিত করেছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এএসআইকে প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। বাণগড় ফেন্সিংয়ের কাজ ও সৌন্দর্যায়ন জন্য। যদিও সেই প্রকল্পের কাজ কবে শুরু হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন জেলার শাসক শিবির। এবারে খোদ গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায় কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা এএসআইয়ের নজরদারি ও তাদের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিজেপি বিধায়ক বলেন, এএসআইয়ের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়, আমি একাধিকবার দিল্লিতে গিয়ে কথা বলেছি ও আধিকারিকদের চিঠিও লিখে জানিয়েছি। বাণগড়ের জমি বেদখল হচ্ছে। অজানা কারণে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের কাজ শুরু হল না। এএসআই কোনও নজর দেয় না। বাণগড়ের বিষয় নিয়ে আমি আবারও এসপ্তাহে দিল্লি যাচ্ছি। কীকারণে এত অবহেলা? সেবিষয়ে জানব। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দেব।
বাণগড়ের অবহেলা নিয়ে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন তৃণমূল নেতা গৌতম দাস। বলেছেন, লোকসভার আগে বাণগড়ের জন্য যে আর্থিক বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র, তা শুধু নির্বাচনের চমক। বিজেপির জনপ্রতিনিধিরাই আসলটা বুঝতে পেরে এখন অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।



