নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও সংবাদদাতা, আরামবাগ: সোমবার উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম দিনে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও আরামবাগে নির্বিঘ্নে বাংলা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এদিন বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী অসুস্থ অবস্থায় পরীক্ষা দিয়েছে। তবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার হাতিপ্রবণ এলাকার পরীক্ষার্থীদের নিয়ে প্রশাসন বেশি চিন্তিত ছিল।
Advertisement
বড়জোড়া ও আশপাশের জঙ্গলে বর্তমানে ৬৭টি হাতি রয়েছে। হাতিগুলি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে উৎকন্ঠা ছড়ায়। বাঁকুড়া-দুর্গাপুর রাজ্য সড়ক সংলগ্ন বাঁধকানা, পাবয়ার জঙ্গলে সবচেয়ে বেশি হাতি রয়েছে। এদিন সকাল সকাল সেখানকার পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। জঙ্গলপথে বনদপ্তরের কর্মী-আধিকারিকদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের বিষয়টি খেয়াল রাখেন। পরীক্ষার্থীরা হাতির ভয়ে সিঁটিয়ে ছিল। অভিভাবকদের চোখেমুখেও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যায়। জেলার বাকি এলাকায় অবশ্য পরীক্ষার্থীদের কোনও সমস্যা হয়নি।
উচ্চ মাধ্যমিকের বাঁকুড়া জেলা যুগ্ম পরীক্ষা আহ্বায়ক গোরাচাঁদ কান্ত বলেন, ইন্দাস হাইস্কুলের এক ছাত্রী অসুস্থ হওয়ায় ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দেয়। তার সিট পড়েছিল রোল হাইস্কুলে। বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বসেও এক পরীক্ষার্থী এদিন পরীক্ষা দেয়। তার অপারেশন হয়েছিল। তারাপুর সুকান্ত স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে সিট পড়া এক পরীক্ষার্থী মাঝপথে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে মেজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সে বাকি পরীক্ষা দেয়।
পুরুলিয়া জেলায় এবছর মোট ১৯হাজার ৪০৯ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। তারমধ্যে ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এইসব পরীক্ষার্থী কেন পরীক্ষায় বসেনি, স্কুলগুলি থেকে সেই তথ্য জানার চেষ্টা করছে সংসদ। জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) মহুয়া বসাক বলেন, প্রথমদিনের পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই হয়েছে। এদিন পুরুলিয়ার জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় পরীক্ষার্থীদের নিরপত্তার জন্য বনদপ্তরের মোট আটটি টিম মোতায়েন ছিল। হাতির উপদ্রব থাকা এলাকায় বনদপ্তরের তরফে ৩০টি গাড়ির বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন পুরুলিয়ার ডিএফও অঞ্জন গুহ। পরীক্ষা চলাকালীন পুরশুড়ার এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাকে অক্সিজেনের নল, হাতে স্যালাইন নিয়ে হাসপাতালের বেডে বসে পরীক্ষা দেয় সে। জানা গিয়েছে, সে বালিপুর হাইস্কুলের ছাত্র। পরীক্ষা দিচ্ছিল চিলাডাঙ্গি হাইস্কুলে। সোমবার, পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই সে প্রচণ্ড বমি করতে থাকে। দ্রুত তাকে শ্রীরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন তার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আরামবাগ মহকুমায় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য সাহায্য করে পুলিস।
উচ্চ মাধ্যমিকের বাঁকুড়া জেলা যুগ্ম পরীক্ষা আহ্বায়ক গোরাচাঁদ কান্ত বলেন, ইন্দাস হাইস্কুলের এক ছাত্রী অসুস্থ হওয়ায় ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দেয়। তার সিট পড়েছিল রোল হাইস্কুলে। বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বসেও এক পরীক্ষার্থী এদিন পরীক্ষা দেয়। তার অপারেশন হয়েছিল। তারাপুর সুকান্ত স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে সিট পড়া এক পরীক্ষার্থী মাঝপথে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে মেজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সে বাকি পরীক্ষা দেয়।
পুরুলিয়া জেলায় এবছর মোট ১৯হাজার ৪০৯ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। তারমধ্যে ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এইসব পরীক্ষার্থী কেন পরীক্ষায় বসেনি, স্কুলগুলি থেকে সেই তথ্য জানার চেষ্টা করছে সংসদ। জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) মহুয়া বসাক বলেন, প্রথমদিনের পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই হয়েছে। এদিন পুরুলিয়ার জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় পরীক্ষার্থীদের নিরপত্তার জন্য বনদপ্তরের মোট আটটি টিম মোতায়েন ছিল। হাতির উপদ্রব থাকা এলাকায় বনদপ্তরের তরফে ৩০টি গাড়ির বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন পুরুলিয়ার ডিএফও অঞ্জন গুহ। পরীক্ষা চলাকালীন পুরশুড়ার এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাকে অক্সিজেনের নল, হাতে স্যালাইন নিয়ে হাসপাতালের বেডে বসে পরীক্ষা দেয় সে। জানা গিয়েছে, সে বালিপুর হাইস্কুলের ছাত্র। পরীক্ষা দিচ্ছিল চিলাডাঙ্গি হাইস্কুলে। সোমবার, পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই সে প্রচণ্ড বমি করতে থাকে। দ্রুত তাকে শ্রীরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন তার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আরামবাগ মহকুমায় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য সাহায্য করে পুলিস।



