সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: প্রায় ২৩ বছর পর বুনিয়াদপুরে জেলা বইমেলা হলেও সাড়া ফেলতে পারল না। ফাঁকা মাঠে চলছে অনুষ্ঠান। বিক্রির হাল দেখে হতাশ বিক্রেতারা। মেলায় অধিকাংশ বিক্রেতা উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে বইমেলা করে জেলায় ফিরেছেন। পাশের জেলায় পাঠকদের মধ্যে উৎসাহ ও বই বিক্রি দেখে তাঁরা যথেষ্ট আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বইমেলার চার দিনে যা বিক্রির হাল, তাতে স্টলের ভাড়া, খাওয়া দাওয়া, থাকা ও উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে বই নিয়ে আসার খরচ তুলে লাভের সম্ভাবনাও থাকছে না।
Advertisement
বিক্রেতাদের অনেকে মনে করছেন জেলা বইমেলা হলেও বুনিয়াদপুর ও বংশীহারি ছাড়া বাইরের পাঠক ও সাধারণ মানুষ খুব কম সংখ্যায় মেলায় আসছেন। সাধারণ মানুষকে বইমেলায় টানতে কলকাতা থেকে জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আসর করলেও তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। বই বিক্রেতা সমাপন চক্রবর্তীর কথায়, ২০০২ সালে বুনিয়াদপুরের বইমেলায় স্টল দিয়েছিলাম। আমরা যথেষ্ট ভালো কালেকশন নিয়ে এসেছি। কিন্তু বুনিয়াদপুরে পাঠকদের মধ্যে বই নিয়ে সেভাবে আগ্রহ দেখছি না। যা বই বিক্রি হয়েছে, বেশিরভাগই লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ নিয়েছে। তরুণ-তরুণীরা এসে কী বই নেবে বলে না, প্রথমেই তারা জানতে চায় ছাড় কত।
জেলা বইমেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুভাষ ভাওয়ালের মন্তব্য, আমরা সবরকমভাবে বইমেলাকে সফল করতে তৈরি। সমস্ত স্কুল, কলেজ, গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদকে বই কেনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে একদিন সমস্যা হয়েছে। সবে চারদিন হয়েছে। ক্রেতাদের তো জোর করে বই কেনাতে পারি না। তবে শেষবেলায় হয়তো দেখা যাবে বুনিয়াদপুরের বইমেলা রেকর্ড গড়েছে।
জেলা বইমেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুভাষ ভাওয়ালের মন্তব্য, আমরা সবরকমভাবে বইমেলাকে সফল করতে তৈরি। সমস্ত স্কুল, কলেজ, গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদকে বই কেনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে একদিন সমস্যা হয়েছে। সবে চারদিন হয়েছে। ক্রেতাদের তো জোর করে বই কেনাতে পারি না। তবে শেষবেলায় হয়তো দেখা যাবে বুনিয়াদপুরের বইমেলা রেকর্ড গড়েছে।



