সংবাদদাতা, পতিরাম: সন্ধ্যার আড্ডায় একসঙ্গে সময় কেটেছিল তাঁদের। পরে যে যার মতো বাড়িও ফিরে যান। কিন্তু, রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন বছর আটান্নর মলয় বসাক। সেই খবর শুনে ছুটে গিয়েছিলেন তাঁর ষাটোর্ধ বৃদ্ধ বন্ধু বাবলু চৌহান(৬৫)। ঝুলন্ত অবস্থায় বন্ধুকে দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বন্ধুর আকস্মিক চলে যাওয়া মেনে নিতে না পেরে শোকে মৃত্যু হয় তাঁর। সোমবার বালুরঘাট শহরে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, মৃত মলয় বসাকের বাড়ি তহবাজার এলাকায়। তিনি একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। তাঁর পরিবারেই কিছু সমস্যা ছিল। যা নিয়ে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এদিকে আর এক বন্ধু বাবলু চৌহানের বাড়ি মালদহে হলেও দীর্ঘ বছর ধরে বালুরঘাট শহরেই একটি হোটেলে কাজ করতেন তিনি। বিয়েও করেননি। পরিবারও নেই। বয়সে কিছুটা পার্থক্য হলেও তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল গভীর ও দৃঢ। একে অপরের সুখ দুঃখ সমস্ত কিছুই শেয়ার করতেন তাঁরা। সন্ধ্যায় দু’জন কাজ সেরে গল্পগুজব করেই যে যাঁর বাড়ি ফিরতেন। রবিবার রাতেও আড্ডা হয়। এরপর রাতে মলয়বাবু বাড়ি ফেরেন। তারপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে তহবাজারে মাছের আড়তের এক দোকানে সামনে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এবিষয়ে মলয়বাবুর আত্মীয় উত্তম বসাক বলেন,কী কারণে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল,তা জানি না। পুলিস দেহ উদ্ধার করে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মৃত বাবলুবাবুর আত্মীয় ছোটান মালি বলেন, প্রায় চল্লিশ বছর ধরে তিনি মালদহ ছেড়ে বালুরঘাটে বসবাস করেন। এখানে একাই থাকতেন। বন্ধুর ঝুলন্ত দেহ দেখে অসুস্থ হয়ে যান। পরে মারা যান।
বালুরঘাট সদর ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ বলেন,ওই এলাকায় দু’টি দেহ উদ্ধার করে নিয়ে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
এবিষয়ে মলয়বাবুর আত্মীয় উত্তম বসাক বলেন,কী কারণে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল,তা জানি না। পুলিস দেহ উদ্ধার করে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মৃত বাবলুবাবুর আত্মীয় ছোটান মালি বলেন, প্রায় চল্লিশ বছর ধরে তিনি মালদহ ছেড়ে বালুরঘাটে বসবাস করেন। এখানে একাই থাকতেন। বন্ধুর ঝুলন্ত দেহ দেখে অসুস্থ হয়ে যান। পরে মারা যান।
বালুরঘাট সদর ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ বলেন,ওই এলাকায় দু’টি দেহ উদ্ধার করে নিয়ে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।



