সংবাদদাতা, রাজগঞ্জ: বন্ধুনগরে ফের দুর্ঘটনা। শনিবার সাতসকালে প্রাণ গেল এক যুবকের। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম দিলওয়ার হোসেন (২৫)। তিনি রাজগঞ্জের সুখানি গ্রাম পঞ্চায়েতের গোঁসাইআখড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি জাতীয় সড়কের বন্ধুনগরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। যুবকের মৃত্যুতে গোটা গ্রাম শোকস্তব্ধ। মৃত যুবকের বাবার অভিযোগ, এটা দুর্ঘটনা নয়, তাঁর ছেলেকে খুন করা হয়েছে। যদিও তদন্তে নেমেছে পুলিস।
Advertisement
দিলওয়ার একটি ডেলিভারি সংস্থার রাধারবাড়ি এলাকার গোডাউনে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। বছর খানেক আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন। এদিন সকালে বাইক নিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন তিনি। সেসময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে এই দুর্ঘটনা বলে অনুমান। বিকট শব্দের পর স্থানীয়রা এসে দেখেন, রাস্তায় যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে রয়েছে। পাশেই পড়ে রয়েছে একটি বাইক। দুর্ঘটনার ফলে শিলিগুড়ি অভিমুখী রাস্তা দিয়ে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ভোরের আলো থানা, রাজগঞ্জ থানা এবং ফুলবাড়ি হাইওয়ে ট্রাফিক আউটপোস্টের পুলিস। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই বন্ধুনগর এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে। সেখানে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ নেই বলেই বারবার মানুষ বিপদে পড়ছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানে উপযুক্ত ট্র্যাফিক ব্যবস্থা মোতায়েনের ব্যবস্থা রাখার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। সুখানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিমল রায় ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। ভোরের আলো থানার পুলিস জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ট্র্যাফিক পুলিসের নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ভোরের আলো থানা, রাজগঞ্জ থানা এবং ফুলবাড়ি হাইওয়ে ট্রাফিক আউটপোস্টের পুলিস। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই বন্ধুনগর এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে। সেখানে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ নেই বলেই বারবার মানুষ বিপদে পড়ছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানে উপযুক্ত ট্র্যাফিক ব্যবস্থা মোতায়েনের ব্যবস্থা রাখার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। সুখানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিমল রায় ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। ভোরের আলো থানার পুলিস জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ট্র্যাফিক পুলিসের নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।



