সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ধারালো অস্ত্র দিয়ে বন্ধুকে খুনের অভিযোগে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিল আলিপুরদুয়ার জেলা আদালত। টানা ১০ বছর মামলা চলার পর অভিযুক্ত দোষী সব্যস্ত হয়। বৃহস্পতিবার জেলা আদালত ধৃতের সাজা ঘোষণা করে।
Advertisement
সাজাপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম ফরিদুল ইসলাম। আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী দুলাল ঘোষ বলেন, বৃহস্পতিবার কোর্টের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন জজ পরেশচন্দ্র কর্মকার এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত ওই যুবককে ১০ হাজার টাকাও জরিমানাও করা হয়েছে। অনাদায়ে যুবককে আরও ছ’মাসের জেলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর দুই বন্ধুর মধ্যে কোনও কারণে বচসা হয়। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক ভাবে জখম হন মাদারিহাটের শিশুবাড়ি হাটের যুবক জাহির হোসেন (২৪)। পরের দিন চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি হাসপাতালেই মারা যান। জাহিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের অভিযোগে তাঁর বন্ধু ফরিদুলকে ধরে ফেলে ঘরে আটকে রাখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিস গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করে। ছেলেকে খুন করার অভিযোগে মৃতের বাবা নূর ইসলাম ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আদালতে বিচার চলতে থাকে। ধৃত যুবকের পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিনও মেলে। তদন্তে নেমে পুলিস ধৃতের কাছ থেকে খুনে ব্যবহৃত ধারালো আগ্নেয়াস্ত্রটিও ওই সময় উদ্ধার করেছিল।
জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী বলেন, ওই খুনের মামলায় মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। ১০ বছর ধরে শুনানির পর আদালত গত বুধবার নির্দিষ্ট ধারায় ওই যুবককে দোষী সাব্যস্ত করে। বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল জেলা আদালত। এদিকে, আদালতের রায় শুনে খুশি মৃতের পরিবার।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর দুই বন্ধুর মধ্যে কোনও কারণে বচসা হয়। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক ভাবে জখম হন মাদারিহাটের শিশুবাড়ি হাটের যুবক জাহির হোসেন (২৪)। পরের দিন চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি হাসপাতালেই মারা যান। জাহিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের অভিযোগে তাঁর বন্ধু ফরিদুলকে ধরে ফেলে ঘরে আটকে রাখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিস গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করে। ছেলেকে খুন করার অভিযোগে মৃতের বাবা নূর ইসলাম ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আদালতে বিচার চলতে থাকে। ধৃত যুবকের পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিনও মেলে। তদন্তে নেমে পুলিস ধৃতের কাছ থেকে খুনে ব্যবহৃত ধারালো আগ্নেয়াস্ত্রটিও ওই সময় উদ্ধার করেছিল।
জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী বলেন, ওই খুনের মামলায় মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। ১০ বছর ধরে শুনানির পর আদালত গত বুধবার নির্দিষ্ট ধারায় ওই যুবককে দোষী সাব্যস্ত করে। বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল জেলা আদালত। এদিকে, আদালতের রায় শুনে খুশি মৃতের পরিবার।



