সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: শিক্ষকের অভাবে বন্ধহওয়া শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের দু’কিলোমিটারের মধ্যে কোনও সরকারি স্কুল না থাকলে সেই এলাকায় নতুন প্রাইমারি স্কুল খোলার আবেদন জানানোর পরামর্শ দিল প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষকের অভাবে গোটা বাঁকুড়া জেলার শিশুশিক্ষা কেন্দ্রগুলি ধুঁকছে। গত কয়েক বছরে ৫৬টি কেন্দ্র ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি জয়পুরের একাধিক শিশুশিক্ষা কেন্দ্র বন্ধের বিষয়টিজেলা প্রশাসনের বৈঠকে আলোচিত হয়। সেখানেই দু’কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল না থাকলে সেখানে প্রাইমারি স্কুল খোলার জন্য আবেদন জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
বাঁকুড়া জেলার এসএসকে ও এমএসকে বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, ২০১১সালের পর থেকে শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। ২০জনের কম পড়ুয়া রয়েছে এমন কেন্দ্রগুলিকে বন্ধ করার নির্দেশ রয়েছে। আগে জেলায় ৪৩১টি কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে ৩৮৭টি চলছে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের পড়ুয়াদের নিকটবর্তী প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও এলাকায় দু’কিলোমিটারের মধ্যে কোনও প্রাইমারি স্কুল না থাকলে স্থানীয়রা সেই এলাকায় নতুন প্রাইমারি স্কুলের জন্য প্রস্তাব পাঠাতে পারেন।
জয়পুর ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,জয়পুরে ২৭টি শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ৬৩২। শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা মাত্র ২৮জন। অর্থাৎ কেন্দ্র পিছু গড়ে ১জন করে শিক্ষক-শিক্ষিকা চারটি করে ক্লাসের পড়ুয়াদের পাঠদানের দায়িত্বে রয়েছেন। এতে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকমহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা ছেলে মেয়েদেরকে দূরবর্তী হলেও বিকল্প স্কুলে পাঠাচ্ছেন। আর এতেই কেন্দ্রগুলিকে ক্রমশ পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে। ইতিমধ্যে ৭টি স্কুল পড়ুয়া-শূন্য হয়ে গিয়েছে। বাকিগুলিও ধুঁকছে।
বাঁকুড়া জেলা এসএসকে ও এমএসকে শিক্ষক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হেমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গোটা জেলাতেই শিশুশিক্ষা কেন্দ্রগুলির হাল খারাপ। নতুন নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। সেজন্য পড়ুয়ার সংখ্যাও কমছে। এবিষয়ে আমরা বহুবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাম আমলে যে সব এলাকায় প্রাইমারি স্কুল ছিল না, সেই সব এলাকায় বিকল্প হিসাবে শিশুশিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। প্রাইমারি স্কুলের মতোই সেখানে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। সেখানে চল্লিশোর্ধ্ব বয়েসের শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়। কেন্দ্রগুলি পঞ্চায়েত দপ্তরের মাধ্যমে চলছে। ২০১১সালের পর কেন্দ্রগুলিতে নতুন করে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়নি। বর্তমানে জেলার সিংহভাগ শিশুশিক্ষা কেন্দ্র শিক্ষক এবং পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকছে। সেজন্য ২০জনের কম সংখ্যক পড়ুয়া রয়েছে, এমন কেন্দ্রগুলিকে প্রশাসন বন্ধ করে দিতে চাইছে এবং ওই কেন্দ্রের শিক্ষককে অন্য কেন্দ্রে সরানো হচ্ছে। এভাবেই একে একে অনেক কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। জেলার অন্যান্য ব্লকের মতোই জয়পুরে ইতিমধ্যে ৭টি কেন্দ্রে পঠন পাঠন বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের পড়ুয়াদের নিকটবর্তী প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও এলাকায় দু’কিলোমিটারের মধ্যে কোনও প্রাইমারি স্কুল না থাকলে স্থানীয়রা সেই এলাকায় নতুন প্রাইমারি স্কুলের জন্য প্রস্তাব পাঠাতে পারেন।
জয়পুর ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,জয়পুরে ২৭টি শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ৬৩২। শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা মাত্র ২৮জন। অর্থাৎ কেন্দ্র পিছু গড়ে ১জন করে শিক্ষক-শিক্ষিকা চারটি করে ক্লাসের পড়ুয়াদের পাঠদানের দায়িত্বে রয়েছেন। এতে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকমহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা ছেলে মেয়েদেরকে দূরবর্তী হলেও বিকল্প স্কুলে পাঠাচ্ছেন। আর এতেই কেন্দ্রগুলিকে ক্রমশ পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে। ইতিমধ্যে ৭টি স্কুল পড়ুয়া-শূন্য হয়ে গিয়েছে। বাকিগুলিও ধুঁকছে।
বাঁকুড়া জেলা এসএসকে ও এমএসকে শিক্ষক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হেমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গোটা জেলাতেই শিশুশিক্ষা কেন্দ্রগুলির হাল খারাপ। নতুন নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। সেজন্য পড়ুয়ার সংখ্যাও কমছে। এবিষয়ে আমরা বহুবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাম আমলে যে সব এলাকায় প্রাইমারি স্কুল ছিল না, সেই সব এলাকায় বিকল্প হিসাবে শিশুশিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। প্রাইমারি স্কুলের মতোই সেখানে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। সেখানে চল্লিশোর্ধ্ব বয়েসের শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়। কেন্দ্রগুলি পঞ্চায়েত দপ্তরের মাধ্যমে চলছে। ২০১১সালের পর কেন্দ্রগুলিতে নতুন করে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়নি। বর্তমানে জেলার সিংহভাগ শিশুশিক্ষা কেন্দ্র শিক্ষক এবং পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকছে। সেজন্য ২০জনের কম সংখ্যক পড়ুয়া রয়েছে, এমন কেন্দ্রগুলিকে প্রশাসন বন্ধ করে দিতে চাইছে এবং ওই কেন্দ্রের শিক্ষককে অন্য কেন্দ্রে সরানো হচ্ছে। এভাবেই একে একে অনেক কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। জেলার অন্যান্য ব্লকের মতোই জয়পুরে ইতিমধ্যে ৭টি কেন্দ্রে পঠন পাঠন বন্ধ হয়ে গিয়েছে।



