সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বন্ধ চা বাগানে চলছে পরিচর্যার কাজ। অবৈধভাবে চা পাতা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন মিরিক ব্লকের পানিঘাটা চা বাগানের শ্রমিকরা। এই বাগানটি নিয়ে পাহাড়ে ১১টি চা বাগান বন্ধ। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অক্টোবরে পিএফ ইস্যুতে বন্ধ হয়েছিল পানিঘাটা চা বাগান। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন বাগানের ১৬৫৭ জন শ্রমিক। বাগানটির আয়তন ৯০০ একর। কাজের অভাবে শ্রমিকদের নেপাল, ভুটান বা ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে হয়েছে। যাঁরা যেতে পারেননি তাঁরা পাথর ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। এদিকে বন্ধ বাগানটি বড় বড় ঝোঁপে ভরে গিয়েছিল। এতে এলাকায় হাতি, চিতাবাঘের আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসেছিল। বছর তিনেক আগে শ্রমিকদের দাবির জেরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ নিয়ে বাগানটি পরিচর্যার সিদ্ধান্ত নেন শ্রমিকরা। পরে চা পাতা বিক্রি করতে শুরু করেন। এখন চা পাতা বিক্রি করে সংসার চালাছেন তাঁরা।
Advertisement
বাগানের শ্রমিক সুনিতা ওরাওঁ, ববিতা ছেত্রী বলেন, ন’বছর ধরে বাগানটি বন্ধ রয়েছে। বাগান খোলা নিয়ে কারও কোনও হেলদোল নেই। অপর এক শ্রমিক ববিতা ছেত্রি বলেন, বাগান বন্ধের পর দীর্ঘদিন আমরা পাথর ভেঙে সংসার চালিয়েছি।
আইএনটিটিইউসি’র দার্জিলিং জেলা সভাপতি (পাহাড়) দীপক প্রধান বলেন, ওই বাগানটি বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা নিজেরাই অবৈধ ভাবে পাতা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন। বাগানটি খোলার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে পিএফ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মামলা চলছে। পাহাড়ে ৮৭টি চা বাগান রয়েছে। এরমধ্যে এই বাগান সহ মোট ১১টি চা বাগান বন্ধ রয়েছে।
মিরিকের বিডিও শ্রেয়সি মাইতি বলেন, ওই চা বাগানটি পুনরায় চালু করার জন্য একটি প্রস্তাব জেলাশাসক রাজ্যকে পাঠিয়েছেন। পুরো বিষয়টি ভূমি দপ্তর দেখছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এনিয়ে বলতে পারবে। দার্জিলিংয়ের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) রাম কুমার তামাং বলেন, বাগানটির বিষয় নিয়ে এর আগে রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। তবে বন্ধ বাগান খোলার বিষয়গুলি ডিএলসি’তে আলোচনা হয়ে থাকে।
আইএনটিটিইউসি’র দার্জিলিং জেলা সভাপতি (পাহাড়) দীপক প্রধান বলেন, ওই বাগানটি বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা নিজেরাই অবৈধ ভাবে পাতা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন। বাগানটি খোলার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে পিএফ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মামলা চলছে। পাহাড়ে ৮৭টি চা বাগান রয়েছে। এরমধ্যে এই বাগান সহ মোট ১১টি চা বাগান বন্ধ রয়েছে।
মিরিকের বিডিও শ্রেয়সি মাইতি বলেন, ওই চা বাগানটি পুনরায় চালু করার জন্য একটি প্রস্তাব জেলাশাসক রাজ্যকে পাঠিয়েছেন। পুরো বিষয়টি ভূমি দপ্তর দেখছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এনিয়ে বলতে পারবে। দার্জিলিংয়ের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) রাম কুমার তামাং বলেন, বাগানটির বিষয় নিয়ে এর আগে রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। তবে বন্ধ বাগান খোলার বিষয়গুলি ডিএলসি’তে আলোচনা হয়ে থাকে।



