নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: লেভেল ক্রসিংয়ের গেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পেরতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক প্রৌঢ়ের। বুধবার এমনই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে রায়গঞ্জ শহর ঘেঁষা সুভাষগঞ্জ এলাকার ৯ নম্বর রেলগেটের সামনে।
Advertisement
রেল পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ট্রেনের ধাক্কায় মৃত নিতাই ভৌমিকের (৫৭) বাড়ি রায়গঞ্জের ১০ নম্বর মারাইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণপাড়ায়। সুভাষগঞ্জের একটি পাইস হোটেলে তিনি কাজ করতেন। এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ কাটিহার-রাধিকাপুর লোকাল যখন হর্ন দিতে দিতে সজোরে সুভাষগঞ্জের ৯ নম্বর রেল গেট পেরচ্ছে, ঠিক তখনই লাইন পার হচ্ছিলেন ওই প্রৌঢ়। লোকাল ট্রেনটির ধাক্কায় লাইনের ধারে ছিটকে পড়েন তিনি। লেভেল ক্রসিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারী, গাড়ি, বাইকচালক অনেকেই চোখের সামনে আকস্মিক এই ঘটনা দেখে রীতিমতো আঁতকে ওঠেন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নিতাইয়ের।
এদিনের এই ঘটনায় রেললাইন পারাপারে মানুষের সচেতনতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। বারবার এমন ঘটনা মানুষের বেপরোয়া মনোভাবের পরিচয় বলেই মনে করছেন অনেকে।
গেটম্যান নৃপেনচন্দ্র মণ্ডল বলেন, লেভেল ক্রসিং বন্ধ ছিল। ওই সময় কাটিহারগামী রাধিকাপুর লোকাল যাচ্ছিল। তখন ওই প্রৌঢ় রেললাইন পার হতে গেলে ধাক্কা লাগে। মৃতের ভাইপো মানস বলেন, রেল লাইন পেরতে গিয়ে এই ঘটনা। মৃতার এক ছেলে ও এক মেয়ে। তাঁরা শিলিগুড়িতে থাকেন। রায়গঞ্জ জিআরপির এএসআই মহম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।
এদিনের এই ঘটনায় রেললাইন পারাপারে মানুষের সচেতনতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। বারবার এমন ঘটনা মানুষের বেপরোয়া মনোভাবের পরিচয় বলেই মনে করছেন অনেকে।
গেটম্যান নৃপেনচন্দ্র মণ্ডল বলেন, লেভেল ক্রসিং বন্ধ ছিল। ওই সময় কাটিহারগামী রাধিকাপুর লোকাল যাচ্ছিল। তখন ওই প্রৌঢ় রেললাইন পার হতে গেলে ধাক্কা লাগে। মৃতের ভাইপো মানস বলেন, রেল লাইন পেরতে গিয়ে এই ঘটনা। মৃতার এক ছেলে ও এক মেয়ে। তাঁরা শিলিগুড়িতে থাকেন। রায়গঞ্জ জিআরপির এএসআই মহম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।



