সংবাদদাতা, রামপুরহাট: করোনা কালে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাঁচজোড়া ট্রেন ফের চালু করার ও তিনটি এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে ফের বড়সড় আন্দোলনে নামতে চলেছে নলহাটি নাগরিক মঞ্চ। সেই মর্মে রেলকর্তাদের চিঠি দিল মঞ্চ। দাবি পূরণের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নাগরিক মঞ্চ সাফ জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনও দিন, যে কোনও মুহূর্তে হাজার হাজার নলহাটিবাসী রেল অবরোধে শামিল হবে। গত ১ ডিসেম্বরও মঞ্চের পক্ষ থেকে দেড়ঘণ্টা রেল অবরোধ করা হয়েছিল। যার জেরে মঞ্চের পদাধিকারীদের নামে কেসও দিয়েছে রেল। কিন্তু ভয় না পেয়ে দীর্ঘ বঞ্চনার প্রতিবাদে এবার আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে আন্দোলনে শামিল করার প্রস্তুতি শুরু করেছেন তাঁরা।
Advertisement
মঞ্চের দাবি, আপ ও ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা, কুলিক ও ডাউন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ দিতে হবে। এছাড়া স্টেশনের উন্নয়ন ও করোনাকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া বারাণসী এক্সপ্রেস, বর্ধমান-মালদা লোকাল, দানাপুর ফাস্ট প্যাসেঞ্জার, বারহারোহা-শিয়ালদহ বামদেব প্যাসেঞ্জার ও রামপুরহাট-সাহেবগঞ্জ লোকাল চালুর দাবিতে আগে থেকেই আন্দোলন চালিয়ে আসছে নলহাটি নাগরিক মঞ্চ। বেশ কয়েকবার অবরোধের পর রেলকর্তাদের আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনের পথ থেকে সরে এসেছিল মঞ্চ। রেলকে তাঁদের দেওয়া কথা স্মরণ করিয়ে বারবার চিঠিও দেয় মঞ্চ। কিন্তু কোনও উত্তর না পেয়ে আগাম জানিয়ে গত ১ ডিসেম্বর বড়সড় রেল অবরোধ করেন তাঁরা। অবরোধের জেরে রামপুরহাট জংশনে ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে পড়ে হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত। নলহাটি ঢোকার মুখে সাহেবগঞ্জ-হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস সহ নানা স্টেশনে একাধিক দূরপাল্লার ও লোকাল ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়ে। ওইদিন দুপুর নাগাদ এডিআরএম এবং সিনিয়র ডিসিএম মঞ্চের সদস্যদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ধরে আলোচনা চললেও নিট ফল জিরো। শুধুমাত্র ডাউন উত্তরবঙ্গের স্টপেজ দেওয়ার মৌখিক আশ্বাস ছাড়া কোনও দাবি মানতে চাননি তাঁরা। ক্ষুব্ধ মঞ্চের সদস্যরা বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।
এবার মঞ্চের তরফে রেলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চিঠি পাঠানো হল। চিঠির কপি পাঠানো হয়েছে জেলা পুলিস প্রশাসনের কর্তাদের কাছেও। মঞ্চের সহ সম্পাদক রাজেন্দ্র মিশ্র বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেলকে সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে নির্দিষ্ট সময়সীমার পর যে কোনও দিন, যে কোনও মুহূর্তে আগের চেয়েও কঠোর রেল রোকো আন্দোলন হবে। রেল যত খুশি আমাদের কেস দিক। আমরা তাতে ভয় পাই না। বঞ্চনার প্রতিবাদে ওই দিন যে রেল অবরোধ হবে তা সকলের মনে থাকবে। দাবি আদায় করেই ছাড়বে নলহাটীবাসী। সব মিলিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনও দিন চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে চলেছেন এই রুটের যাত্রীরা।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগের অন্যতম নলহাটি জংশন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। অধিকাংশ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ নেই। লোকাল ট্রেনের সংখ্যাও সীমিত। বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে নির্ভর করতে হয় ১৫ কিমি দূরের রামপুরহাট জংশনের উপরে।
এবার মঞ্চের তরফে রেলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চিঠি পাঠানো হল। চিঠির কপি পাঠানো হয়েছে জেলা পুলিস প্রশাসনের কর্তাদের কাছেও। মঞ্চের সহ সম্পাদক রাজেন্দ্র মিশ্র বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেলকে সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে নির্দিষ্ট সময়সীমার পর যে কোনও দিন, যে কোনও মুহূর্তে আগের চেয়েও কঠোর রেল রোকো আন্দোলন হবে। রেল যত খুশি আমাদের কেস দিক। আমরা তাতে ভয় পাই না। বঞ্চনার প্রতিবাদে ওই দিন যে রেল অবরোধ হবে তা সকলের মনে থাকবে। দাবি আদায় করেই ছাড়বে নলহাটীবাসী। সব মিলিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনও দিন চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে চলেছেন এই রুটের যাত্রীরা।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগের অন্যতম নলহাটি জংশন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। অধিকাংশ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ নেই। লোকাল ট্রেনের সংখ্যাও সীমিত। বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে নির্ভর করতে হয় ১৫ কিমি দূরের রামপুরহাট জংশনের উপরে।



