নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আলুর বন্ড বিলি নিয়ে গোলমাল এড়াতে তৎপর শিলিগুড়ি মহকুমা প্রশাসন। আজ, মঙ্গলবার তারা খড়িবাড়িতে এ ব্যাপারে বৈঠক করবে। এদিকে, এবার আলুর ফলন বাড়ছে মহকুমায়। গত বছরের তুলনায় এবার এখানে আলুর ফলন তিন হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত হবে বলেই কৃষিদপ্তরের প্রত্যাশা। এই অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের মধ্যে সুষ্ঠুমতো বন্ড বিলির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
গত বছর আলুর বন্ড বিলি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঝামেলা হয়েছে। এবার যাতে ওই ধরনের ঘটনা না ঘটে সেব্যাপারে প্রস্তুতি শুরু করেছে কৃষি বিপণন দপ্তর। তারা এজন্য চারটি ব্লকের বিডিও, কৃষিদপ্তরের আধিকারিক, পুলিস ও হিমঘর মালিক কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছে। আজ, খড়িবাড়ি বিডিও অফিসে ওই বৈঠক হবে। মিটিংয়ে সভাপতিত্ব করবেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি। প্রশাসন সূত্রের খবর, মহকুমায় আলুর উৎপাদনের পরিমাণ, কৃষকের সংখ্যা, হিমঘরের ধারণক্ষমতা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের জন্য হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষণ প্রভৃতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
খড়িবাড়ির বিডিও দীপ্তি সাউ বলেন, হিমঘরে আলু মজুত করার বন্ড বিলি সুষ্ঠুমতো করতে ওই বৈঠক ডেকে কৃষি বিপণন দপ্তর। সেখানে বন্ড বিলির দিন নির্ধারণ করা হতে পারে। এবার মহকুমা আলুর উৎপাদন বাড়ছে। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবার মহকুমায় আলু চাষ হয়েছে ১১২০ হেক্টর জমিতে। যারমধ্যে খড়িবাড়ি ব্লকে ৬০০, ফাঁসিদেওয়ায় ৪০০ এবং নকশালবাড়িতে ১২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা জানান, গত বছর সমপরিমাণ জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় গত বছর আলুর উৎপাদন মার খেয়েছিল। উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ হাজার মেট্রিক টন। এবার আবহাওয়া অনুকূল। উৎপাদন বেড়ে ২৬ হাজার মেট্রিক টন হতে পারে।
কৃষিদপ্তরের প্রত্যাশা মতো আলুর উৎপাদন হলে তা হিমঘরে মজুত করা নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা। প্রশাসন সূত্রে খবর, মহকুমায় হিমঘরের সংখ্যা মাত্র একটি। সেটি খড়িবাড়িতে। তাতে আলু মজুত করার চেম্বারের সংখ্যা দু’টি। তাতে আলু মজুত করা যেতে পারে ১৬ হাজার ৭৭ মেট্রিক টন। কাজেই কৃষিদপ্তরের প্রত্যাশা অনুসারে উৎপাদন হলে প্রচুর আলু সংশ্লিষ্ট হিমঘরে মজুত করা অসম্ভব হবে বলেই আশঙ্কা।
প্রশাসনের এক আধিকারিক অবশ্য বলেন, গত বছর সংশ্লিষ্ট হিমঘরের একটি চেম্বার ফাঁকা ছিল। মাত্র একটি চেম্বারে ৭৮৩২.২৫ মেট্রিক টন আলু মজুত ছিল। কারণ গত বছর উৎপাদিত আলুর একাংশ হিমঘর খোলার আগেই বাজারজাত হয়েছিল। এবারও কিছু আলু বাজারজাত হয়েছে। তা হলেও হিমঘরের চেম্বার হয়তো ফাঁকা থাকবে না। কারণ উৎপাদন বেশি হয়েছে। চাষিদের যাতে আলু ফেলে দিতে না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হবে।
খড়িবাড়ির বিডিও দীপ্তি সাউ বলেন, হিমঘরে আলু মজুত করার বন্ড বিলি সুষ্ঠুমতো করতে ওই বৈঠক ডেকে কৃষি বিপণন দপ্তর। সেখানে বন্ড বিলির দিন নির্ধারণ করা হতে পারে। এবার মহকুমা আলুর উৎপাদন বাড়ছে। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবার মহকুমায় আলু চাষ হয়েছে ১১২০ হেক্টর জমিতে। যারমধ্যে খড়িবাড়ি ব্লকে ৬০০, ফাঁসিদেওয়ায় ৪০০ এবং নকশালবাড়িতে ১২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা জানান, গত বছর সমপরিমাণ জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় গত বছর আলুর উৎপাদন মার খেয়েছিল। উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ হাজার মেট্রিক টন। এবার আবহাওয়া অনুকূল। উৎপাদন বেড়ে ২৬ হাজার মেট্রিক টন হতে পারে।
কৃষিদপ্তরের প্রত্যাশা মতো আলুর উৎপাদন হলে তা হিমঘরে মজুত করা নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা। প্রশাসন সূত্রে খবর, মহকুমায় হিমঘরের সংখ্যা মাত্র একটি। সেটি খড়িবাড়িতে। তাতে আলু মজুত করার চেম্বারের সংখ্যা দু’টি। তাতে আলু মজুত করা যেতে পারে ১৬ হাজার ৭৭ মেট্রিক টন। কাজেই কৃষিদপ্তরের প্রত্যাশা অনুসারে উৎপাদন হলে প্রচুর আলু সংশ্লিষ্ট হিমঘরে মজুত করা অসম্ভব হবে বলেই আশঙ্কা।
প্রশাসনের এক আধিকারিক অবশ্য বলেন, গত বছর সংশ্লিষ্ট হিমঘরের একটি চেম্বার ফাঁকা ছিল। মাত্র একটি চেম্বারে ৭৮৩২.২৫ মেট্রিক টন আলু মজুত ছিল। কারণ গত বছর উৎপাদিত আলুর একাংশ হিমঘর খোলার আগেই বাজারজাত হয়েছিল। এবারও কিছু আলু বাজারজাত হয়েছে। তা হলেও হিমঘরের চেম্বার হয়তো ফাঁকা থাকবে না। কারণ উৎপাদন বেশি হয়েছে। চাষিদের যাতে আলু ফেলে দিতে না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হবে।



