Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বনবস্তি সংলগ্ন ঘাটের নিরাপত্তায় অন্য জঙ্গলে পাঠানো হচ্ছে হাতির দল

বনবস্তি সংলগ্ন ঘাটের নিরাপত্তায় অন্য জঙ্গলে পাঠানো হচ্ছে হাতির দল
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বনবস্তি সংলগ্ন নদীঘাটে হাতির আনাগোনা একটি বড় সমস্যা। তাই ছট পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তার জন্য সেই হাতিগুলিকে অন্য জঙ্গলে পাঠাচ্ছে বনদপ্তর। বুধবার কার্শিয়াং ডিভিশনের টুকরিয়াঝার বনাঞ্চল থেকে উত্তম চাঁদছাট বনাঞ্চলের উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে প্রায় ৫০টি হাতির দল। এদিকে নকশালবাড়িতে কালিবাড়ির খেমচি ছটঘাট পরিদর্শন করলেন জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল।
Advertisement
টুকরিয়াঝার সংরক্ষিত জঙ্গল ঘেঁষে নকশালবাড়ির দক্ষিণ রথখোলার চিমটি নদীর ছটঘাট। যেখানে প্রচুর মানুষ ছটপুজো দিতে আসেন। এজন্য কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় বনদপ্তর। কয়েকদিন ধরে টুকরিয়াঝার জঙ্গলে প্রায় ৩০টি হাতির দল খুঁটি গেড়ে বসেছিল। মঙ্গলবার রাতে কলাবাড়ি বনাঞ্চল থেকে মেচি নদী হয়ে প্রায় ২০টি হাতি নতুন করে সংযোজন হয়েছে। একেই জঙ্গল ঘেঁষে রয়েছে চিমটি নদীর ছটঘাট। পানিট্যাঙ্কির মেচি নদীতে ছট পুজোর আয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে পুজোর সন্ধ্যা ও ভোরে যাতে ভক্তদের বুনো হাতির মুখোমুখি না হতে হয়, সেজন্য পাশ্ববর্তী বড় বনাঞ্চলে পাঠানোর উদ্যোগ নিল বনদপ্তর। এদিনের অভিযানে ডিভিশনের টুকরিয়াঝার, ঘোষপুকুর, টাইপু স্কোয়াড এবং বাগডোগরা রেঞ্জের বনকর্মীরা অংশ নেন। 
কার্শিয়াং ডিভিশনের ডিএফও দেবেশ পান্ডে বলেন, ছটপুজোকে কেন্দ্র করে সমস্ত হাতি উপদ্রুত এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। একইসঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমকে বিভিন্ন নদীঘাট সংলগ্ন এলাকায় টহল দিতে বলেছি। এদিন টুকরিয়াঝার বনাঞ্চল থেকে হাতির দলটি ইউসিসি বনাঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। পরে তা বাগডোগরা বনাঞ্চল পাঠানো হবে।
এদিকে এদিন নকশালবাড়িতে রিভিউ বৈঠক শেষ করে জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল খেমচি শ্মশানঘাট পরিদর্শনে যান। সেখানে ছটঘাটের আবর্জনা শীঘ্রই পরিস্কারের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেন জেলাশাসক। শিলিগুড়ি মহাকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর পর খেমচি ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন হয়। যদিও আমরা প্রতিমার কাঠামো দ্রুত পরিস্কার করে দিয়েছি। পুজোর পর ছটকমিটি ঘাটটি পরিষ্কারের দায়িত্ব নিয়েছেন।
সম্পর্কিত সংবাদ