নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ, সংবাদদাতা চোপড়া: ট্যাব প্রতারণার টাকা লেনদেনে শুধু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নেওয়া নয়, বিনা পরিশ্রমে আয়ের টোপ দিয়ে হতদরিদ্রদের ফিঙ্গারপ্রিন্টও জালিয়াতি করত প্রতারকরা।
Advertisement
সুযোগ বুঝে ওই অ্যাকাউন্টের মালিকদের না জানিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তাঁদেরই নামে একাধিক নতুন অ্যাকাউন্ট খুলত জালিয়াতরা। যার মাধ্যমে দেদার চলতো সাইবার প্রতারণার টাকার লেনদেন। এই রহস্যময় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আরও নানা ধরনের সাইবার জালিয়াতির টাকাও ঢুকত। যা অনায়াসে হস্তগত করত জালিয়াতরা।
ট্যাব কেলেঙ্কারির রহস্যভেদ করতে নেমে গত সাতদিনে এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছেন পুলিস ও গোয়েন্দারা। এরমধ্যে শনিবার অভিযোগ উঠেছে, তপনের আরসিএ মাগুরপুর হাইস্কুলের ৬ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকাও চোপড়া কোনও বাসিন্দার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। ইতিমধ্যে এব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে ট্যাবকাণ্ডে ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে ৬ জন চোপড়ার ও একজন ইসলামপুরের।
‘বর্তমান’ পত্রিকায় গত ১৪ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল কীভাবে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামের কিছু মানুষকে বোকা বানিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিত প্রতারকরা। তারপর টাকা ঢুকলে প্রতারকরা ৫০ শতাংশ নিয়ে নিত। বিষয়টা এখানেই শেষ হয়নি। প্রতারকরা ছলবলে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের (সিএসপি) সঙ্গে যোগসাজস করে একাধিক ব্যাঙ্কে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলত। এ ব্যাপারে পুরো অন্ধকারে থাকতেন অ্যাকাউন্টের আসল মালিক।
চোপড়া থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কলিমুদ্দিনের (নাম পরিবর্তিত) কথায়, কয়েকমাস আগে আমাকেও টাকার টোপ দিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়েছিল একজন। সে জানিয়েছিল বিনা পরিশ্রমে মোটা অঙ্কের টাকা ওই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। তবে জানি না সেটা কিসের টাকা। শেষপর্যন্ত কোনও টাকাই ঢোকেনি। মাসদুয়েক পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চেক করে জানতে পারি আমার অজান্তেই আরও একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সেই নতুন অ্যাকাউন্টে ১২ হাজার টাকা ঢুকলেও হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। চোপড়ায় এরকম বেশকিছু অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের সঙ্গে এমনটা হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই প্রতারণার কাজে বড় ভূমিকা ছিল স্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের (সিএসপি) কয়েকজনের। সম্প্রতি নূর আলম নামে তেমনই একজন গ্রেপ্তার হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিসের হাতে। ধৃত ওই যুবকও চোপড়ায় সিএসপি চালাত। শুধু চোপড়া নয়, সাইবার প্রতারকদের হদিশ পেতে আশপাশের জেলারও সিএসপিগুলির ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ট্যাব কেলেঙ্কারির রহস্যভেদ করতে নেমে গত সাতদিনে এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছেন পুলিস ও গোয়েন্দারা। এরমধ্যে শনিবার অভিযোগ উঠেছে, তপনের আরসিএ মাগুরপুর হাইস্কুলের ৬ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকাও চোপড়া কোনও বাসিন্দার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। ইতিমধ্যে এব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে ট্যাবকাণ্ডে ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে ৬ জন চোপড়ার ও একজন ইসলামপুরের।
‘বর্তমান’ পত্রিকায় গত ১৪ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল কীভাবে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামের কিছু মানুষকে বোকা বানিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিত প্রতারকরা। তারপর টাকা ঢুকলে প্রতারকরা ৫০ শতাংশ নিয়ে নিত। বিষয়টা এখানেই শেষ হয়নি। প্রতারকরা ছলবলে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের (সিএসপি) সঙ্গে যোগসাজস করে একাধিক ব্যাঙ্কে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলত। এ ব্যাপারে পুরো অন্ধকারে থাকতেন অ্যাকাউন্টের আসল মালিক।
চোপড়া থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কলিমুদ্দিনের (নাম পরিবর্তিত) কথায়, কয়েকমাস আগে আমাকেও টাকার টোপ দিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়েছিল একজন। সে জানিয়েছিল বিনা পরিশ্রমে মোটা অঙ্কের টাকা ওই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। তবে জানি না সেটা কিসের টাকা। শেষপর্যন্ত কোনও টাকাই ঢোকেনি। মাসদুয়েক পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চেক করে জানতে পারি আমার অজান্তেই আরও একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সেই নতুন অ্যাকাউন্টে ১২ হাজার টাকা ঢুকলেও হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। চোপড়ায় এরকম বেশকিছু অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের সঙ্গে এমনটা হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই প্রতারণার কাজে বড় ভূমিকা ছিল স্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের (সিএসপি) কয়েকজনের। সম্প্রতি নূর আলম নামে তেমনই একজন গ্রেপ্তার হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিসের হাতে। ধৃত ওই যুবকও চোপড়ায় সিএসপি চালাত। শুধু চোপড়া নয়, সাইবার প্রতারকদের হদিশ পেতে আশপাশের জেলারও সিএসপিগুলির ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



