সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: বোন এবং জামাইবাবুর ঝগড়া থামাতে গিয়ে ব্যাটের আঘাতে প্রাণ গেল শ্যালকের।
Advertisement
শনিবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ থানার সাহাপুর বাগানপাড়া এলাকায়। ঘটনার পর বোনের শ্বশুর এবং শাশুড়ি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। মৃতের পরিবার মালদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম রবি মণ্ডল (৩৫)। তাঁর বাড়ি ইংলিশবাজার থানা এলাকায়। পারিবারিক বিবাদে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগানপাড়া এলাকায় বৃদ্ধার বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে থাকতেন প্রীতি মণ্ডল এবং তাঁর স্বামী রকি স্বর্ণকার। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন প্রীতির শ্বশুর কৈলাশ দাস এবং শাশুড়ি। কিছুদিন আগে প্রীতির বাড়িতে ঘুরতে আসেন রবি। শনিবার সকালে অর্থ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁর বোন এবং জামাইবাবু মধ্যে তর্ক হয়। দু’জনের সেই ঝামেলায় প্রীতির শ্বশুর ও শাশুড়ি জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, রকি সেই বিবাদ থামাতে গেলে প্রীতির শ্বশুর ব্যাট দিয়ে বুকে আঘাত করেন। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন রবি। দ্রুত তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠানো হলে মৃত বলে জানান চিকিত্সক।
বাড়ির মালিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সুনারি চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন প্রীতির স্বামী কাজ করত না। প্রীতি বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিত। কিছুদিন পর ভিনরাজ্যে কাজে যাওয়ার কথা ছিল প্রীতির। এদিন টাকাপয়সা নিয়ে বিবাদ শুরু হলে থামানোর চেষ্টা করলেও পারিনি। তার শ্বশুর ব্যাট দিয়ে রবিকে মারে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রীতির শ্বশুর, শাশুড়ি চলে গেলেও আর আসেনি।
মৃতের স্ত্রী পিঙ্কি মণ্ডল দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। রাতে পুলিস পুরাতন মালদহ থেকে কৈলাশ দাসকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগানপাড়া এলাকায় বৃদ্ধার বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে থাকতেন প্রীতি মণ্ডল এবং তাঁর স্বামী রকি স্বর্ণকার। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন প্রীতির শ্বশুর কৈলাশ দাস এবং শাশুড়ি। কিছুদিন আগে প্রীতির বাড়িতে ঘুরতে আসেন রবি। শনিবার সকালে অর্থ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁর বোন এবং জামাইবাবু মধ্যে তর্ক হয়। দু’জনের সেই ঝামেলায় প্রীতির শ্বশুর ও শাশুড়ি জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, রকি সেই বিবাদ থামাতে গেলে প্রীতির শ্বশুর ব্যাট দিয়ে বুকে আঘাত করেন। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন রবি। দ্রুত তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠানো হলে মৃত বলে জানান চিকিত্সক।
বাড়ির মালিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সুনারি চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন প্রীতির স্বামী কাজ করত না। প্রীতি বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিত। কিছুদিন পর ভিনরাজ্যে কাজে যাওয়ার কথা ছিল প্রীতির। এদিন টাকাপয়সা নিয়ে বিবাদ শুরু হলে থামানোর চেষ্টা করলেও পারিনি। তার শ্বশুর ব্যাট দিয়ে রবিকে মারে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রীতির শ্বশুর, শাশুড়ি চলে গেলেও আর আসেনি।
মৃতের স্ত্রী পিঙ্কি মণ্ডল দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। রাতে পুলিস পুরাতন মালদহ থেকে কৈলাশ দাসকে গ্রেপ্তার করে।



