নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বায়োমেট্রিক বিকল। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার একাংশ কর্মী দেরিতে অফিসে ঢুকছেন বলে অভিযোগ। শুধু দেরিতে আসা নয়, কেউ কেউ আবার আগাম সই করেও চলে যাচ্ছেন! বিষয়টি ধরা পড়তেই ইতিমধ্যেই এক কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। সময়ে অফিসে আসতে বলে সতর্ক করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র বলেন, সময়ে অফিসে আসতে হবে, এটাই মোদ্দা কথা। বারবার বলার পরও যাঁরা সময়ে অফিসে আসছেন না, হাজিরা খাতায় তাঁদের সই করার জায়গায় লাল কালি দেওয়া হচ্ছে। পরপর তিনটি লাল কালি পড়লে শোকজ করা হবে। তিনি বলেন, এক কর্মী হাজিরা থাকায় আগাম সই করে রেখেছিলেন। বিষয়টি ধরা পড়ে যাওয়ায় তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল বলেন, সঠিক সময়ে অফিসে আসা উচিত সব কর্মীকেই। কিছু কর্মীর মধ্যে একটা গাছাড়া মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। আমরা বিষয়টি নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছি। বায়োমেট্রিক মেশিন খারাপ হয়ে রয়েছে। সেকারণে কর্মীরা অ্যাটেনডেন্স খাতায় সই করেন। শীঘ্রই বায়োমেট্রিক মেশিন সারানোর ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি অফিস সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও জলপাইগুড়ি পুরসভা নিয়ম করে নিয়েছে, বেলা ১১টা থেকে তাদের অফিস। কিন্তু সেক্ষেত্রে বিকেল ৫টা না সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কর্মীরা অফিস করবেন, সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি পুরকর্তারা। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত করে বলে দেওয়া হয়েছে বেলা ১১টা থেকে অফিস। ১১টা ১৫মিনিটের পর যাঁরা অফিসে আসবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অ্যাটেনডেন্স খাতায় লাল কালি পড়বে। যদিও সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার ১১টার পর পুরসভায় গিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ চেয়ার ফাঁকা।
Advertisement
কর্মীরা এসে পৌঁছননি। পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার বলেন, এদিনও কয়েকজন দেরিতে অফিসে ঢুকেছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে অ্যাটেনডেন্স খাতায় লাল কালি দেওয়া হয়েছে। সাত-আটজন কর্মীর ক্ষেত্রে এটা প্রায়ই হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



