নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিমা করানোর সুফল পাচ্ছেন চাষিরা। ডানা ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বহু চাষের জমি। পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রায় এক লক্ষ চার হাজার চাষি বিমার ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে চলেছেন। তাঁদের অ্যাকাউন্টে ৫১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬১০ টাকা ঢুকবে। কয়েক দিনের মধ্যেই ধাপে ধাপে ক্ষতিপূরণের টাকা ঢুকবে।
Advertisement
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘ডানা’র প্রভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলার আটটি ব্লকের ধানচাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কৃষিদপ্তর এবং বিমা সংস্থার কর্মী ও আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করেন। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চিহ্নিত করে রাজ্য কৃষিদপ্তরে জমা করেন। তারপরই টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলার ডিডিএ নকুল মাইতি বলেন, টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মেহেবুব মণ্ডল বলেন, সরকার বিনামূল্যে চাষিদের বিমা করে দেয়। আলুর জন্য বিমা করতেও টাকা লাগে না। গত বছর আলু চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। জেলার চাষিরা মোটা অঙ্কের বিমার টাকা পেয়েছেন। এবারও আলুর বিমা করা হচ্ছে। ৩১জানুয়ারি পর্যন্ত বিমা করা হবে। ব্লক অফিস ছাড়া পঞ্চায়েতগুলিতেও বিমা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বোরো চাষিরাও বিমা করতে পারবেন।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ডিভিসি জল ছেড়ে দেওয়ার ফলে বহু জমির ধান নষ্ট হয়েছিল। ওই জমিগুলি চিহ্নিত করা হয়। কর্প কার্টিং পদ্ধতিতে চাষিদের বিমার টাকা দেওয়া হচ্ছে। আগে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চিহ্নিত করা হতো। তাতে অনেক সময় ভুল হওয়ার সম্ভবনা থাকত। সেই কারণে কর্প কাটিংয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এখন দুর্যোগে ধান বা আলুর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হলে চাষিদের পথে বসতে হয় না। তাঁরা ক্ষতিপূরণ পেয়ে যান। কৃষিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ডানা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সুগন্ধি ধান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হাওয়ায় ধান পড়ে যাওয়ায় ফলন ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে। বিগত দু’বছর সুগন্ধি চাল রপ্তানির উপর কেন্দ্রীয় সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এবার দুর্যোগে ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চাষিদের মাথায় হাত পড়ে যায়। তাঁরা বিমার টাকা পাওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন। দক্ষিণ দামোদর এলাকার ধান চাষি পিন্টু শেখ বলেন, সরকার চাষিদের পাশে না দাঁড়ালে অনেককেই পথে বসতে হতো। এখন চাষের খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছে। লাভের অঙ্ক অনেকটাই কমে গিয়েছে। সরকার বিভিন্ন প্রকল্প চালু করে চাষিদের সহযোগিতা করছে। কৃষিদপ্তরের আর এক আধিকারিক বলেন, যেসব এলাকায় জমি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেসব এলাকার চাষিরা বিমার টাকা পাচ্ছেন। একাধিকবার দপ্তরের আধিকারিকরা মাঠে গিয়েছিলেন। সেই সময় চাষিদের বিমা করানোর জন্য প্রত্যন্ত এলাকাতেও কৃষিদপ্তর ক্যাম্প করেছিল। তার সুবিধা এখন চাষিরা পাচ্ছেন। দক্ষিণ দামোদর এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্যাম্প করা হয়েছিল।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ডিভিসি জল ছেড়ে দেওয়ার ফলে বহু জমির ধান নষ্ট হয়েছিল। ওই জমিগুলি চিহ্নিত করা হয়। কর্প কার্টিং পদ্ধতিতে চাষিদের বিমার টাকা দেওয়া হচ্ছে। আগে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চিহ্নিত করা হতো। তাতে অনেক সময় ভুল হওয়ার সম্ভবনা থাকত। সেই কারণে কর্প কাটিংয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এখন দুর্যোগে ধান বা আলুর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হলে চাষিদের পথে বসতে হয় না। তাঁরা ক্ষতিপূরণ পেয়ে যান। কৃষিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ডানা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সুগন্ধি ধান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হাওয়ায় ধান পড়ে যাওয়ায় ফলন ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে। বিগত দু’বছর সুগন্ধি চাল রপ্তানির উপর কেন্দ্রীয় সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এবার দুর্যোগে ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চাষিদের মাথায় হাত পড়ে যায়। তাঁরা বিমার টাকা পাওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন। দক্ষিণ দামোদর এলাকার ধান চাষি পিন্টু শেখ বলেন, সরকার চাষিদের পাশে না দাঁড়ালে অনেককেই পথে বসতে হতো। এখন চাষের খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছে। লাভের অঙ্ক অনেকটাই কমে গিয়েছে। সরকার বিভিন্ন প্রকল্প চালু করে চাষিদের সহযোগিতা করছে। কৃষিদপ্তরের আর এক আধিকারিক বলেন, যেসব এলাকায় জমি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেসব এলাকার চাষিরা বিমার টাকা পাচ্ছেন। একাধিকবার দপ্তরের আধিকারিকরা মাঠে গিয়েছিলেন। সেই সময় চাষিদের বিমা করানোর জন্য প্রত্যন্ত এলাকাতেও কৃষিদপ্তর ক্যাম্প করেছিল। তার সুবিধা এখন চাষিরা পাচ্ছেন। দক্ষিণ দামোদর এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্যাম্প করা হয়েছিল।



