সংবাদদাতা, হবিবপুর: পানীয় জলের সমস্যায় জেরবার হবিবপুর ও বামনগোলা ব্লকের বাসিন্দারা। টাঙ্গন নদীর জল পরিস্রুত করে ২০২৪ সালের মধ্যে বামনগোলায় বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। জোরকদমে কাজও শুরু করেছিল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর। কিন্তু নানা কারণে বারবার কাজে বাধা পড়ায় সময়ে শেষ করার সম্ভাবনা দিনদিন কমছে।
Advertisement
দপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রশান্ত সরকার বলেন, পরপর দু’বার বন্যার কারণে কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছিল। খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা চালু করা হবে। নালাগোলার বাসিন্দা কালীপদ ভক্তের দাবি, অনেক বছর ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন ব্লকের সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন জায়গায় জলের পাইপ ফেলে রাখা হয়েছে। অত্যন্ত ধীরগতিতে কাজ চলছে। হবিবপুর ব্লকের কিছু জায়গায় পিএইচই পরিষেবা চালু করলেও জল এতটাই ঘোলা যে পান করা দূরের কথা, সাধারণ কাজে ব্যবহারের উপযুক্ত নয়। শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকার পাড়ার বাবুরাম সরকার বললেন, বেশিরভাগ এলাকায় এখনও পিএইচই-র জলের সংযোগ দেওয়া হয়নি। জলস্তর অনেক নীচে থাকায় সবার পক্ষে সাবমার্সিবল বসানোও সম্ভব হয় না। ফলে জলসঙ্কট রয়েছে এলাকায়। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা বলেই প্রশাসন অবহেলা করছে বলে অভিযোগ করেছেন হবিবপুরের বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। তিনি বলেন, বামনগোলার অনেক এলাকায় জলের পাইপ পুঁততে গিয়ে মাটি খুঁড়ে রাস্তা নষ্ট করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। সেদিকে প্রশাসনের নজর নেই।
পাল্টা তৃণমূলের মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য তথা বামনগোলা ব্লক সভাপতি অশোক সরকার বলেন, প্রকল্পের কাজ জোরকদমে চলছিল। বিভিন্ন সমস্যার কারণে কাজ একটু পিছিয়েছে। দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। কী কাজ করেছেন বিজেপি সাংসদ? সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করলে কী জবাব দেবেন, সেটা ভাবুন তিনি।
পাল্টা তৃণমূলের মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য তথা বামনগোলা ব্লক সভাপতি অশোক সরকার বলেন, প্রকল্পের কাজ জোরকদমে চলছিল। বিভিন্ন সমস্যার কারণে কাজ একটু পিছিয়েছে। দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। কী কাজ করেছেন বিজেপি সাংসদ? সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করলে কী জবাব দেবেন, সেটা ভাবুন তিনি।



