Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বামাখ্যাপার আর্বিভাব তিথিতে আটলা গ্রামে উৎসবের আমেজ

বামাখ্যাপার আর্বিভাব তিথিতে আটলা গ্রামে উৎসবের আমেজ
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সাধক বামাখ্যাপার ১৮৮তম আর্বিভাব তিথি উপলক্ষ্যে বুধবার উৎসবের আমেজ সাধকের জন্মভিটে আটলা গ্রামে। উৎসব চলবে তিনদিন ধরে। এদিকে শিব চর্তুদশীতে তারাপীঠ মন্দিরে শিবলিঙ্গে জল ঢালার জন্য বহু পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটলেও তা কয়েক বছরের তুলনায় কম বলে দাবি মন্দির কমিটির। বাংলা ১২৪৪ সালে ১২ ফাল্গুন শিব চতুর্দ্দশীর ভোর ৩ টে বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ তারাপীঠ লাগোয়া আটলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বামাখ্যাপা। তিনি তারাপীঠের শ্মশানে সাধনা করে মা তারার দর্শন পেয়েছিলেন। সেই থেকে তিনি তারাপীঠেই থেকে যান। সাধক বামাখ্যাপার বিভিন্ন অলৌকিক কাহিনী ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর জন্মভিটে আটলা ও ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া মুলুটি মায়ের মন্দিরে। বাংলা ১৩৬২ সাল থেকে আটলা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বামাখ্যাপা স্মৃতি রক্ষা সমিতি গড়ে তুলে আর্বিভাব তিথি পালন করে আসছেন। এবছরও তার অন্যথা হয়নি।  এদিন ভোর থেকে শুরু হয় উদয়অস্ত চণ্ডীপাঠ ও পুজাচর্না। স্মৃতি রক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে এদিন বামাখ্যাপার প্রতিকৃতি নিয়ে সুসজ্জিত শোভাযাত্রা আটলা গ্রাম প্রদক্ষিণ করে মন্দিরে  ফিরে আসে। অবশ্য আগে এই শোভাযাত্রা তারাপীঠও পরিক্রম করত। কিন্তু করোনার পর থেকে সেই রীতিতে ছেদ পড়েছে।  উৎসব কমিটির সম্পাদক স্মৃতিময় চট্টোপাধ্যায় বলেন, তিন দিন ধরে নানা অনুষ্ঠান চলবে। এদিন রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলবে বিশ্বশান্তির চণ্ডী চতুর্মুখী হোম। পাশাপাশি চলবে যাত্রা। বৃহস্পতিবার বাউল, কবি গান ও দুপুরে প্রায় ভক্তদের পাত পেড়ে অন্ন ভোগ খাওয়ানো হবে। সন্ধ্যায় যাত্রাপালা হবে। পরের দিনও যাত্রাপালা হয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। এদিকে শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে তারাপীঠ মন্দিরে ভক্তদের ভিড় বাড়ে। শিবলিঙ্গে জল ঢালার জন্য মন্দিরের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যায়। যদিও মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, মহাকুম্ভের জন্য অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর ভিড় কিছুটা কম হয়েছে।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ