নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক ও মেদিনীপুর: সোমবার বাম ছাত্র সংগঠনগুলির ডাকা ছাত্র ধর্মঘট ঘিরে দুই মেদিনীপুরে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায়। পাঁশকুড়া বনমালী কলেজের সামনে টিএমসিপি আর ডিএসও-র সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ডিএসও সদস্যদের রাস্তায় ফেলে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। পাল্টা টিএসসিপি-র দাবি, কলেজের গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল এসইউসি-র এই ছাত্র সংগঠন। বিক্ষোভ চলাকালীন শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা কলেজে ঢোকার মুখে বাধা পান। তারপরই দু’ পক্ষের মধ্যে ধুন্ধুমার বেধে যায়।
Advertisement
সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ পাঁশকুড়ার বনমালী কলেজের প্রধান গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল ডিএসও। সংগঠনের জেলা সম্পাদক নিরুপমা বক্সি, কলেজ কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর প্রামাণিকের নেতৃত্বে হ্যান্ড মাইক, প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ চলছিল। যাদবপুর ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রকে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কা মারার ঘটনার প্রতিবাদে ডিএসও-র পক্ষ থেকে ওই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তিন নেতা মোটর সাইকেলে চেপে কলেজে ঢোকার চেষ্টা করলে বাধা পান। তাঁদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। তারপরই দু’ পক্ষের মারপিট বেধে যায়। প্রকাশ্য রাস্তার উপর দুই ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষে মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পাঁশকুড়া থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ডিএসও-র জেলা সভাপতি শুভজিৎ অধিকারী বলেন, যাদবপুরের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। পাঁশকুড়া কলেজে শান্তিপূর্ণভাবে ওই কর্মসূচি চলাকালীন টিএমসিপি-র নেতৃত্বে বহিরাগতরা হামলা চালায়। তাতে আমাদের ১০ জন আহত হয়েছেন।
পাঁশকুড়া কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা সাকলিন মোস্তাফা ওরফে কিরণ বলেন, এদিন জোর করে কলেজের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ঢুকতে পারছিলেন না। আমরা কলেজে পঠনপাঠন স্বাভাবিক করতে ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। ডিএসও-র পক্ষ থেকেই প্রথমে আক্রমণ করা হয়।
একইভাবে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় মেদিনীপুর কলেজেও। এখানে বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দফায় দফায় ঝামেলা বাধে। একেবারে খণ্ডযুদ্ধ পরিস্থিতি। দু’ পক্ষকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় পুলিসকে। সোমবার সকালে মেদিনীপুর কলেজের সামনে এসএফআই বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত হলে শুরুতে বচসা বাধে। তারপর হাতাহাতি বেধে যায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিস বাহিনী পৌঁছয়। এসএফআইয়ের অভিযোগ, টিএমসিপি এবং পুলিস একযোগে তাদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের সাংগঠনিক অফিস ঘিরে রেখেছিল কোতোয়ালি থানার পুলিস। টিএমসিপি-র অভিযোগ, যাদবপুরে স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী আক্রান্ত হয়েছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিভিন্ন কলেজে অশান্তি পাকাতে চাইছে বামপন্থী ওই ছাত্র সংগঠন। এদিন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেও বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে টিএমসিপি-র ব্যাপক হাতাহাতি হয়। ওই ঘটনায় দু’ পক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। পুলিস কয়েকজনকে আটক করেছে। এসএফআই নেত্রী মেঘনা মহাপাত্র বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন শিক্ষাঙ্গণে অশান্তি করেছে। আমাদের সংগঠনের কয়েকজন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। আমরা ছাত্রছাত্রীদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দাবি করছি।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, মেদিনীপুরকে যাদবপুর করার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এটা হতে দেব না। এদিন আমাদের সংগঠনের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। আমি নিজেও আহত হয়েছি।
পাঁশকুড়া কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা সাকলিন মোস্তাফা ওরফে কিরণ বলেন, এদিন জোর করে কলেজের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ঢুকতে পারছিলেন না। আমরা কলেজে পঠনপাঠন স্বাভাবিক করতে ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। ডিএসও-র পক্ষ থেকেই প্রথমে আক্রমণ করা হয়।
একইভাবে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় মেদিনীপুর কলেজেও। এখানে বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দফায় দফায় ঝামেলা বাধে। একেবারে খণ্ডযুদ্ধ পরিস্থিতি। দু’ পক্ষকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় পুলিসকে। সোমবার সকালে মেদিনীপুর কলেজের সামনে এসএফআই বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত হলে শুরুতে বচসা বাধে। তারপর হাতাহাতি বেধে যায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিস বাহিনী পৌঁছয়। এসএফআইয়ের অভিযোগ, টিএমসিপি এবং পুলিস একযোগে তাদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের সাংগঠনিক অফিস ঘিরে রেখেছিল কোতোয়ালি থানার পুলিস। টিএমসিপি-র অভিযোগ, যাদবপুরে স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী আক্রান্ত হয়েছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিভিন্ন কলেজে অশান্তি পাকাতে চাইছে বামপন্থী ওই ছাত্র সংগঠন। এদিন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেও বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে টিএমসিপি-র ব্যাপক হাতাহাতি হয়। ওই ঘটনায় দু’ পক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। পুলিস কয়েকজনকে আটক করেছে। এসএফআই নেত্রী মেঘনা মহাপাত্র বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন শিক্ষাঙ্গণে অশান্তি করেছে। আমাদের সংগঠনের কয়েকজন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। আমরা ছাত্রছাত্রীদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দাবি করছি।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, মেদিনীপুরকে যাদবপুর করার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এটা হতে দেব না। এদিন আমাদের সংগঠনের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। আমি নিজেও আহত হয়েছি।



