নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের জন্য বহু প্রকল্প এনেছেন। কৃষির অগ্রগতির জন্য ভর্তুকিতে যন্ত্রাংশ দেওয়া হচ্ছে। তার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। সোমবার বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই বলেন রাজ্যের প্রাণিসম্পদ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। পাশাপাশি এদিন বিমায় সুবিধা পাওয়া চাষিদের হাতে মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে রাজ্যের আর এক মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, জেলাশাসক আয়েশা রানি এ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রদীপবাবু বলেন, সরকার চাষিদের থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কিনছে। চাষিদের কৃষক বন্ধু কার্ড যাতে ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করতে না পারে তা দেখতে হবে। সরকার চাষিদের কাছ থেকে ধান কিনে রেশনে সরবরাহ করছে।
Advertisement
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক লক্ষ তিন হাজার ৭৯৯জন কৃষক বিমার টাকা পাচ্ছেন। ‘ডানা’র প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের বিমার টাকা দেওয়া হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মেহেবুব মণ্ডল বলেন, আউশগ্রাম-১, ভাতার, জামালপুর, কেতুগ্রাম-২, মঙ্গলকোট, খণ্ডঘোষ, এবং রায়নার দু’টি ব্লকের ৩৬টি পঞ্চায়েতে কৃষকরা বিমার টাকা পাচ্ছেন। ডিডিএ নকুল মাইতি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে আধিকারিকরা একাধিবার গিয়েছিলেন। তারপরই ক্ষতিগ্রস্ত জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, ‘ডানা’য় জেলার সব জায়গায় ধান জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটা নয়। গলসি সহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। যেসব জমির ধান দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সমস্ত এলাকার কৃষকরাও ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছিলেন। কিন্তু তেমনটা হয়নি।
কৃষিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চাষিদের অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে টাকা পাঠানো হচ্ছে। অনেকেরই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। বাকিরাও কয়েক দিনের মধ্যে টাকা পাবেন। এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুছেচ্ছা বার্তা নিতে এসেছিলেন জগন্নাথ দে, শেখ বারিকুল আলমরা। তাঁরা বলেন, ধান জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। সরকার পাশে না দাঁড়ালে সমস্যায় পড়তে হতো। কৃষিদপ্তর এলাকায় গিয়ে বিমা করিয়েছিল। তাতে চাষিদের সুবিধা হয়।
কৃষিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চাষিদের অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে টাকা পাঠানো হচ্ছে। অনেকেরই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। বাকিরাও কয়েক দিনের মধ্যে টাকা পাবেন। এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুছেচ্ছা বার্তা নিতে এসেছিলেন জগন্নাথ দে, শেখ বারিকুল আলমরা। তাঁরা বলেন, ধান জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। সরকার পাশে না দাঁড়ালে সমস্যায় পড়তে হতো। কৃষিদপ্তর এলাকায় গিয়ে বিমা করিয়েছিল। তাতে চাষিদের সুবিধা হয়।



