সংবাদদাতা, সিউড়ি: বাল্যবিবাহ বন্ধ করা ও শিশুশ্রম বন্ধে বাড়তি গুরুত্ব দিতে বিশেষ রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ দিলেন বীরভূমের জেলাশাসক। বৃহস্পতিবার সিউড়ি প্রশাসনিক ভবনে এনিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে জেলাশাসক বিধান রায়, অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) বিশ্বজিৎ মোদক, জেলা পুলিস, শিক্ষাদপ্তর অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়াও বৈঠকে হাজির ছিল।
Advertisement
বৈঠকে জেলায় বাল্যবিবাহের গুরুতর সমস্যা মেটাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। জেলাশাসক বলেন, এই জেলায় আমরা বাল্যবিবাহ রোধ করতে পারিনি। এটা লুকানোর কিছু নেই। তথ্য তাই বলছে। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
প্রশাসন জানতে পেরেছে, জেলায় এবছর নভেম্বর মাস অবধি প্রায় ১৭৮টি বাল্যবিবাহ হয়েছে। যদিও এই সংখ্যা আসলে আরও বেশি বলে আধিকারিকদের অনেকে মনে করছেন। এছাড়া, এই জেলায় শিশুশ্রমিকদের সংখ্যাও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই জেলায় বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম বন্ধে প্রশাসন বিশেষ পদক্ষেপ করবে।
এজন্য প্রথমে জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল ও শহরের স্কুল থেকে ড্রপআউট ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা জানা হবে। তারপর সেই পড়ুয়াদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, পঞ্চায়েতস্তরের আধিকারিক, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ওই পড়ুয়াদের স্কুলে ফেরাতে পদক্ষেপ করা হবে। বাল্যবিবাহ বন্ধে ডেকোরেটর, পুরোহিত, মৌলবি, বিয়েতে নিমন্ত্রিত-সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা চলবে। কোথাও বাল্যবিবাহের খবর পেলেই পুলিস, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
নাবালিকারা ভিনরাজ্যে পালিয়ে বিয়ে করে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে জেলায় ফিরে আসছে। এবিষয়েও বৈঠকে একাধিক তথ্য উঠে আসে। সেদিকেও জেলাশাসক বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দেন। সেক্ষেত্রে গ্রামাঞ্চলে পারিবারিক শৃঙ্খলা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়-সেদিকে গুরুত্ব দিতে বলেন।
জেলাশাসক বলেন, বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বন্ধে মানুষের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। শুধু জেলা প্রশাসন নয়, জেলার সর্বস্তরের মানুষকে এই দুই সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলায় এগিয়ে আসতে হবে।
প্রশাসন জানতে পেরেছে, জেলায় এবছর নভেম্বর মাস অবধি প্রায় ১৭৮টি বাল্যবিবাহ হয়েছে। যদিও এই সংখ্যা আসলে আরও বেশি বলে আধিকারিকদের অনেকে মনে করছেন। এছাড়া, এই জেলায় শিশুশ্রমিকদের সংখ্যাও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই জেলায় বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম বন্ধে প্রশাসন বিশেষ পদক্ষেপ করবে।
এজন্য প্রথমে জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল ও শহরের স্কুল থেকে ড্রপআউট ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা জানা হবে। তারপর সেই পড়ুয়াদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, পঞ্চায়েতস্তরের আধিকারিক, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ওই পড়ুয়াদের স্কুলে ফেরাতে পদক্ষেপ করা হবে। বাল্যবিবাহ বন্ধে ডেকোরেটর, পুরোহিত, মৌলবি, বিয়েতে নিমন্ত্রিত-সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা চলবে। কোথাও বাল্যবিবাহের খবর পেলেই পুলিস, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
নাবালিকারা ভিনরাজ্যে পালিয়ে বিয়ে করে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে জেলায় ফিরে আসছে। এবিষয়েও বৈঠকে একাধিক তথ্য উঠে আসে। সেদিকেও জেলাশাসক বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দেন। সেক্ষেত্রে গ্রামাঞ্চলে পারিবারিক শৃঙ্খলা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়-সেদিকে গুরুত্ব দিতে বলেন।
জেলাশাসক বলেন, বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম বন্ধে মানুষের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। শুধু জেলা প্রশাসন নয়, জেলার সর্বস্তরের মানুষকে এই দুই সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলায় এগিয়ে আসতে হবে।



