সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: দেওয়ালে সাঁটানো রয়েছে ‘নির্মল বাংলা’র পোস্টার। কিন্তু পুরুলিয়ার বলরামপুরের কলাবেড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শৌচাগার নেই। ফলে স্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষিকারা চরম সমস্যায় পড়েন। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সমস্যার কথা জানালেও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষিকাদের।
Advertisement
বলরামপুর থানার পাহাড়তলি এলাকায় এই স্কুল রয়েছে। ১৯৭৪সালে পাহাড়ের উপর স্কুলটি তৈরি হয়েছিল। তবে ২০১৪ সাল নাগাদ কলাবেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে স্কুলও পাহাড়ের নীচে নামিয়ে আনা হয়। তারপর এতদিনেও স্কুলে শৌচাগার তৈরি হয়নি। এমনকী, পানীয় জলের ব্যবস্থাও নেই। পাশেই আইসিডিএস কেন্দ্র থেকে জল নিয়ে এসে মিড-ডে মিল রান্নার কাজ হয়।
ওই স্কুলের শিক্ষিকা জসমিরানি সোরেন বলেন, কলাবেড়া ও আশপাশের গ্রাম থেকেও পড়ুয়ারা এই স্কুলে আসে। আগে পাহাড়ের রাস্তায় একঘণ্টা হেঁটে স্কুলে যেতে হতো। এখন সেই সমস্যা নেই। তবে শৌচাগার না থাকায় সমস্যা হয়।
টিআইসি নন্দিতা সাহা বলেন, স্কুলে তিনজন শিক্ষিকা রয়েছেন। দীর্ঘ সময় শৌচাগার ব্যবহার না করেই থাকতে হয়। স্কুলে একটি গভীর নলকূপ আছে। কিন্তু পাম্প খারাপ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর সেটি আর সারাই করে দেয়নি। স্কুলে সীমানাপ্রাচীর না থাকায় কিছু থাকলেই চুরি হয়ে যায়। জল আনতে হয় পাশের আইসিডিএস কেন্দ্র থেকে।
নন্দিতাদেবী বলেন, ২০১৭সালে এই স্কুলে কাজে যোগ দিয়েছিলাম। তারপর থেকে এত বছরেও ব্যবহারের উপযুক্ত শৌচাগার তৈরি করাতে পারলাম না। নানা জায়গায় জানিয়েও লাভ হয়নি। ব্লক থেকে এমন দুর্বল একটি শৌচাগার তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল, সেটি একটি ঝড়েই উড়ে গিয়েছে। কবে ফের শৌচাগার তৈরি হবে কে জানে।
বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাল্লাবতী কুমার বলেন, স্কুলের শৌচাগার সমস্যার কথা জানা ছিল না। তবে ওই গ্রামে খুব তাড়াতাড়ি একটি কমিউনিটি শৌচাগার তৈরি করা হবে। সেজন্য টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই স্কুলের শিক্ষিকা জসমিরানি সোরেন বলেন, কলাবেড়া ও আশপাশের গ্রাম থেকেও পড়ুয়ারা এই স্কুলে আসে। আগে পাহাড়ের রাস্তায় একঘণ্টা হেঁটে স্কুলে যেতে হতো। এখন সেই সমস্যা নেই। তবে শৌচাগার না থাকায় সমস্যা হয়।
টিআইসি নন্দিতা সাহা বলেন, স্কুলে তিনজন শিক্ষিকা রয়েছেন। দীর্ঘ সময় শৌচাগার ব্যবহার না করেই থাকতে হয়। স্কুলে একটি গভীর নলকূপ আছে। কিন্তু পাম্প খারাপ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর সেটি আর সারাই করে দেয়নি। স্কুলে সীমানাপ্রাচীর না থাকায় কিছু থাকলেই চুরি হয়ে যায়। জল আনতে হয় পাশের আইসিডিএস কেন্দ্র থেকে।
নন্দিতাদেবী বলেন, ২০১৭সালে এই স্কুলে কাজে যোগ দিয়েছিলাম। তারপর থেকে এত বছরেও ব্যবহারের উপযুক্ত শৌচাগার তৈরি করাতে পারলাম না। নানা জায়গায় জানিয়েও লাভ হয়নি। ব্লক থেকে এমন দুর্বল একটি শৌচাগার তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল, সেটি একটি ঝড়েই উড়ে গিয়েছে। কবে ফের শৌচাগার তৈরি হবে কে জানে।
বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাল্লাবতী কুমার বলেন, স্কুলের শৌচাগার সমস্যার কথা জানা ছিল না। তবে ওই গ্রামে খুব তাড়াতাড়ি একটি কমিউনিটি শৌচাগার তৈরি করা হবে। সেজন্য টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



