সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলার বলরামপুরে সরকারি উদ্যোগে তৈরি হিমঘর এখনও বন্ধ রয়েছে। বলরামপুর সাপ্তাহিক হাটের এককোণে তৈরি হিমঘরটি চরম অবহেলায় নষ্ট হতে বসেছে। এলাকার চাষিরা খুব তাড়াতাড়ি হিমঘরটি চালু করার দাবিতে সরব হয়েছেন।
Advertisement
বাম আমলের শেষদিকে কৃষি বিপণন দপ্তরের তত্ত্বাবধানে কয়েকলক্ষ টাকা খরচ করে হিমঘরটি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু, প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের ব্যবস্থা না হওয়ায় সেটি এখনও চালু হয়নি। প্রায় ছ’-সাতবছর আগে অজ্ঞাত কারণে আগুন লেগে হিমঘরের ভিতরের পরিকাঠামো ও যন্ত্রপাতি পুড়ে যায়। এখন ওই হিমঘরের চারপাশ আবর্জনা ও ঝোপজঙ্গলে ভর্তি। সেখানে নিয়মিত মদের আসরও বসছে। হিমঘরের চারপাশে সবসময় মদের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এমনকী, বলরামপুর হাটের একটি নির্মাণ সংস্থাও হিমঘরের পাশে মাটি ও বর্জ্য ফেলে রেখেছে।
বলরামপুর ব্লকের কৃষিরত্ন পুরস্কারপ্রাপক চাষি কৃষ্ট মণ্ডল বলেন, অনেকদিন ধরে হিমঘরটি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। এটি চালু হলে আমাদের মতো চাষিদের অনেক উপকার হবে। অপর চাষি তরণী হেমব্রম বলেন, হিমঘরটি তৈরি হলেও এলাকার চাষিদের একদিনের জন্যও কাজে লাগেনি। অথচ এখানে ফসল সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের খুব সুবিধা হতো। আমরা সব্জির সঠিক দাম পেতাম।
বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি কোকিল রজক বলেন, বলরামপুরে প্রচুর সব্জি হয়। চাষিদের স্বার্থে বাম আমলের শেষে হিমঘরটি তৈরি হয়েছিল। তারপর এত বছরেও চালু হল না। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এখনও সেটি চালু করা যেতে পারে। এতে বহু চাষি উপকৃত হবেন।
স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য গৌতম মাহাত বলেন, বিষয়টি নজরে রয়েছে। আমিও চাষি পরিবারের ছেলে। হিমঘরটি চালু হলে এলাকার চাষিদের কতটা উপকার হবে-তা আমি ভালো করে জানি। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত প্রান্তেই এমন বন্ধ থাকা হিমঘর ফের চালু করতে চাইছেন। এই হিমঘরটার বিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। কিছু কাজ বাকি আছে। তা শেষ করে হিমঘরটি আবার চালু করা হবে।
বলরামপুর ব্লকের কৃষিরত্ন পুরস্কারপ্রাপক চাষি কৃষ্ট মণ্ডল বলেন, অনেকদিন ধরে হিমঘরটি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। এটি চালু হলে আমাদের মতো চাষিদের অনেক উপকার হবে। অপর চাষি তরণী হেমব্রম বলেন, হিমঘরটি তৈরি হলেও এলাকার চাষিদের একদিনের জন্যও কাজে লাগেনি। অথচ এখানে ফসল সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের খুব সুবিধা হতো। আমরা সব্জির সঠিক দাম পেতাম।
বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি কোকিল রজক বলেন, বলরামপুরে প্রচুর সব্জি হয়। চাষিদের স্বার্থে বাম আমলের শেষে হিমঘরটি তৈরি হয়েছিল। তারপর এত বছরেও চালু হল না। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এখনও সেটি চালু করা যেতে পারে। এতে বহু চাষি উপকৃত হবেন।
স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য গৌতম মাহাত বলেন, বিষয়টি নজরে রয়েছে। আমিও চাষি পরিবারের ছেলে। হিমঘরটি চালু হলে এলাকার চাষিদের কতটা উপকার হবে-তা আমি ভালো করে জানি। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত প্রান্তেই এমন বন্ধ থাকা হিমঘর ফের চালু করতে চাইছেন। এই হিমঘরটার বিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। কিছু কাজ বাকি আছে। তা শেষ করে হিমঘরটি আবার চালু করা হবে।



