সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পে জমিজট এখনও কাটেনি। বালুরঘাটের চকভৃগুর পর্ষদ মাঠ এলাকায় কয়েকজন জমিদাতা টাকা পাননি। তার জেরে এবার রেলের কাজের জন্য নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে আসা লরি ও ট্রাক্টর ঢুকতে বাধা দিলেন জমিদাতারা। অভিযোগ, ওই এলাকায় কয়েকজন জমিদাতার অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা ঢোকেনি। তার আগেই রেলের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, ওই এলাকায় পর্ষদের মাঠ দিয়েই রেললাইন যাবে। তাই পরিবর্তে মাঠের দাবি তুলেছে বাসিন্দারা।
Advertisement
অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, শাসকদলের মদতেই ইচ্ছাকৃতভাবে ওই কাজ আটকানোর চেষ্টা চলছে। দীর্ঘ ১২ বছর পর বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বারবার ওই কাজে বাধা আসায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হারিস রশিদ বলেন, মামলা চলতে থাকায় কয়েকজনের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া যাচ্ছে না। রেল এখনও এব্যাপারে কিছু জানায়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নির্মল সুর বলেন, আমার একটি জায়গা নিয়ে কেস চলছে। সেটির মিটমাট হয়নি। তবে রেলের কাজে আসা ট্রাক্টরগুলি অন্য একটি রাস্তা ব্যবহার করছে। সেই জায়গার টাকাও এখনও দেওয়া হয়নি। আমার জায়গার টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আগে এই রাস্তা দিয়ে ট্রাক্টর চলাচল করতে দেব না।
আর এক জমিদাতা সুব্রত সরকারের কথায়, আমার জমি রেল ব্যবহার করছে। টাকা পেয়ে গেলে জায়গা ব্যবহার করতে দেব। মাঠটি নষ্ট হচ্ছে। তাই আমাদের দাবি, পরিবর্তে একটি মাঠ দেওয়া হোক।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার। তাঁর মন্তব্য, টাকা দেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের। আগেও কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর পিছনে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, সমর্থকরা রয়েছে।
পাল্টা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, তৃণমূলের কেউ জড়িত নেই। স্থানীয়দের দাবি রেল তথা কেন্দ্র পূরণ করতে পারছে না বলেই এই সমস্যা হচ্ছে।
দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হারিস রশিদ বলেন, মামলা চলতে থাকায় কয়েকজনের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া যাচ্ছে না। রেল এখনও এব্যাপারে কিছু জানায়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নির্মল সুর বলেন, আমার একটি জায়গা নিয়ে কেস চলছে। সেটির মিটমাট হয়নি। তবে রেলের কাজে আসা ট্রাক্টরগুলি অন্য একটি রাস্তা ব্যবহার করছে। সেই জায়গার টাকাও এখনও দেওয়া হয়নি। আমার জায়গার টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আগে এই রাস্তা দিয়ে ট্রাক্টর চলাচল করতে দেব না।
আর এক জমিদাতা সুব্রত সরকারের কথায়, আমার জমি রেল ব্যবহার করছে। টাকা পেয়ে গেলে জায়গা ব্যবহার করতে দেব। মাঠটি নষ্ট হচ্ছে। তাই আমাদের দাবি, পরিবর্তে একটি মাঠ দেওয়া হোক।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার। তাঁর মন্তব্য, টাকা দেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের। আগেও কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর পিছনে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, সমর্থকরা রয়েছে।
পাল্টা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, তৃণমূলের কেউ জড়িত নেই। স্থানীয়দের দাবি রেল তথা কেন্দ্র পূরণ করতে পারছে না বলেই এই সমস্যা হচ্ছে।



