সংবাদদাতা, পতিরাম: পুরসভা তৃণমূলের দখলে। আবার গত লোকসভার ফল বলছে বালুরঘাট পুরসভা এলাকায় ২৫টি ওয়ার্ডে প্রায় ২৫ হাজার ভোটে লিড রয়েছে বিজেপির। জনসমর্থনে প্রায় একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার হিসেবের মাঝেই এবার উন্নয়ন নিয়ে তরজায় জড়ালেন বিজেপি ও তৃণমূলের দুই জনপ্রতিনিধি। গেরুয়া বিধায়কের দাবি, কাজ করেনি পুরসভা। আবার পুর চেয়ারম্যান বলছেন, বিধায়ক হিসেবে উন্নয়ন কাজ করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ বিজেপির অশোক লাহিড়ী। যা নিয়ে চরম বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। সব দেখেশুনে জনতা বলছে, মনে হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচনের ড্রেস রিহার্সাল শুরু হয়ে গেল।
Advertisement
মঙ্গলবার শহরের উন্নয়ন নিয়ে রাজনৈতিকভাবে সরব হয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র। তাঁর কথায়, উন্নয়নের জন্য কিছুই করেননি বিজেপির বিধায়ক। জনগণের জন্য আসলে কাজ করছে তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড। তাঁর অভিযোগ, উন্নয়নের জন্য কিছুই করেননি বিজেপির বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী। পাল্টা শহরে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে বিজেপি বিধায়কের দাবি, ইতিমধ্যেই শহরের উন্নয়নের জন্য ৫২ লক্ষ টাকার কাজ করেছেন।
পুরসভার চেয়ারম্যানের কথায়, বিজেপি বিধায়ক যেটুকু করেছেন, বলার মতো নয়। আমাদের বোর্ড আসার আগে কিছু টাকা দিয়েছিলেন। সেই কাজগুলি আমরা করে দিয়েছি। ওই কাজগুলি অপরিকল্পিতভাবে দিয়েছিলেন তিনি। বালুরঘাটের বিধায়কের উপরে মানুষের আশা ছিল। তিনি গত পাঁচ বছরে ২৫ টি ওয়ার্ডের জন্য কিছুই করেননি।
পাল্টা বিজেপি বিধায়কের দাবি, শহরের উন্নয়নের দায়িত্ব পুরসভার। আমার সাধ্য খুব সীমিত, সামান্য টাকা আসে। কাজ দিলেও পুরবোর্ড আটকে রাখে। শহরে ২৯ লক্ষ ৭১ হাজার টাকার কাজ করেছি। এখন কাজ হচ্ছে ২৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকার।
গত বিধানসভায় বালুরঘাট শহরে ভালো লিড দিয়েছিল বিজেপি। পরবর্তীতে ২০২২ সালে পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৩টিতে তৃণমূল জয়ী হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র শহরেই ২৫টি ওয়ার্ডে ২৫ হাজারের বেশি ভোটে লিড নিয়েছিল বিজেপি। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে হারানো জমি ফিরে পেতে শাসকদল শহরের উন্নয়নে জোর দিয়েছে। পালটা বিজেপির বিধায়কও উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরতে চাইছেন। ফলে দুই অশোকের রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপি বিধায়কের পাল্টা অভিযোগ, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি রাস্তার জন্য ফান্ড দিয়েছিলাম। সেই কাজের উদ্বোধন করেছেন চেয়ারম্যান। পুরসভা কোনও কাজ করতে পারে না। তার উপর ভুয়ো কর্মী নিয়োগ হচ্ছে। চেয়ারম্যান কাজ করুন। ভুয়ো অভিযোগ করবেন না।
পুরসভার চেয়ারম্যানের কথায়, বিজেপি বিধায়ক যেটুকু করেছেন, বলার মতো নয়। আমাদের বোর্ড আসার আগে কিছু টাকা দিয়েছিলেন। সেই কাজগুলি আমরা করে দিয়েছি। ওই কাজগুলি অপরিকল্পিতভাবে দিয়েছিলেন তিনি। বালুরঘাটের বিধায়কের উপরে মানুষের আশা ছিল। তিনি গত পাঁচ বছরে ২৫ টি ওয়ার্ডের জন্য কিছুই করেননি।
পাল্টা বিজেপি বিধায়কের দাবি, শহরের উন্নয়নের দায়িত্ব পুরসভার। আমার সাধ্য খুব সীমিত, সামান্য টাকা আসে। কাজ দিলেও পুরবোর্ড আটকে রাখে। শহরে ২৯ লক্ষ ৭১ হাজার টাকার কাজ করেছি। এখন কাজ হচ্ছে ২৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকার।
গত বিধানসভায় বালুরঘাট শহরে ভালো লিড দিয়েছিল বিজেপি। পরবর্তীতে ২০২২ সালে পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৩টিতে তৃণমূল জয়ী হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র শহরেই ২৫টি ওয়ার্ডে ২৫ হাজারের বেশি ভোটে লিড নিয়েছিল বিজেপি। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে হারানো জমি ফিরে পেতে শাসকদল শহরের উন্নয়নে জোর দিয়েছে। পালটা বিজেপির বিধায়কও উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরতে চাইছেন। ফলে দুই অশোকের রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপি বিধায়কের পাল্টা অভিযোগ, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি রাস্তার জন্য ফান্ড দিয়েছিলাম। সেই কাজের উদ্বোধন করেছেন চেয়ারম্যান। পুরসভা কোনও কাজ করতে পারে না। তার উপর ভুয়ো কর্মী নিয়োগ হচ্ছে। চেয়ারম্যান কাজ করুন। ভুয়ো অভিযোগ করবেন না।



