সংবাদদাতা, পতিরাম: বিয়ের বাজনা বাজছে। মণ্ডপে মন্ত্র পড়া শুরু করেছেন পুরোহিত। পাত্রও মণ্ডপে বসার অপেক্ষায়। ঘরের ভিতরে কনের সাজগোজ চলছে। শুভদৃষ্টি হওয়ার আর একটু দেরি। এদিকে আমন্ত্রিত লোকজন আসা শুরু করেছেন। রান্নাও চলছে। এরই মাঝে বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির পুলিস। সঙ্গে চাইল্ড হেল্পলাইন, জেলা আইনি সহায়তার কর্মীরা। হঠাৎ বিয়ে বন্ধের নির্দেশ। কারণ, পাত্রীর বয়স ১৮ বছর হয়নি। হতে আরও এক মাস বাকি।
Advertisement
সেই নাবালিকা পাত্রীর সঙ্গে বছর একুশের এক যুবকের বিয়ের দেওয়া হচ্ছিল বৃহস্পতিবার রাতে। বালুরঘাটের খিদিরপুরে পাত্রের বাড়িতেই ওই বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। পুলিস আসতেই পাত্রপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। বিষয়টি সামাল দিতে এলাকার কয়েকজন পুলিসকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। বিয়ের আগেই ঘটনাস্থল থেকে নাবালিকা পাত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, খবর পেয়ে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। নাবালিকাকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে খবর, ওই কিশোরীর বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানা এলাকায়। কিশোরীর মা-বাবা নেই। আত্মীয়রাই বালুরঘাটের ওই যুবকের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেছিল। সেইমতো বৃহস্পতিবার রাতে বালুরঘাটে বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। দুই পরিবারের মতেই পাত্রর বাড়িতে বিয়ের আয়োজন।
পাত্রপক্ষ জানিয়েছে, মেয়ের বাবা-মা না থাকাতেই ১৮ বছর হওয়ার এক মাস আগেই এই বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। পুলিস প্রশাসন পাত্রপক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়েছে।
নাবালিকা বিয়ে বন্ধ করতে জেলাজুড়ে নানাভাবে সচেতনতামূলক প্রচার চলছে। এরপরেও অনেক জায়গায় নাবালিকার বিয়ে হচ্ছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন।
এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, খবর পেয়ে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। নাবালিকাকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে খবর, ওই কিশোরীর বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানা এলাকায়। কিশোরীর মা-বাবা নেই। আত্মীয়রাই বালুরঘাটের ওই যুবকের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেছিল। সেইমতো বৃহস্পতিবার রাতে বালুরঘাটে বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। দুই পরিবারের মতেই পাত্রর বাড়িতে বিয়ের আয়োজন।
পাত্রপক্ষ জানিয়েছে, মেয়ের বাবা-মা না থাকাতেই ১৮ বছর হওয়ার এক মাস আগেই এই বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। পুলিস প্রশাসন পাত্রপক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়েছে।
নাবালিকা বিয়ে বন্ধ করতে জেলাজুড়ে নানাভাবে সচেতনতামূলক প্রচার চলছে। এরপরেও অনেক জায়গায় নাবালিকার বিয়ে হচ্ছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন।



