সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাটের হাট, বাজারে রমরমিয়ে চলছে জুয়া। হাটের দিন তো বটেই, এছাড়াও গ্রামেগঞ্জে বসছে একাধিক আসর।
Advertisement
শুক্রবার রাতে বালুরঘাটের জলঘর হাটে জুয়ার বোর্ডেই লাগল আগুন। কে বা কারা ওই আগুন লাগিয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, অনেক টাকা হেরে কয়েকজন জুয়ারি আগুন লাগিয়েছে। সেই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে (সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’)।
ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, জুয়ার বোর্ডে আগুন লাগানো নিয়ে লিখিত অভিযোগ পাইনি। জুয়া বন্ধ করতে লাগাতার অভিযান চলছে।
পুলিস সূত্রে খবর, বালুরঘাটে কামারপাড়া ও জলঘর হাটে সবচেয়ে বেশি জুয়ার আসর বসে। বার বার অভিযান চালালেও বন্ধ হয়নি। সম্প্রতি কুমারগঞ্জেও জুয়ার আসরের ভিডিও ভাইরাল হয়। পাশাপাশি আসরগুলিতে অশ্লীল নাচ চলছে বলেও অভিযোগ। কালীপুজোর পর থেকে অনেক জায়গায় মেলা বসছে। সেখানে প্যান্ডেল করে অনুষ্ঠানের আড়ালে জুয়া খেলা হচ্ছে বলে দাবি একাংশ বাসিন্দার। সেজন্য তাঁরা লাগাতার অভিযানের দাবি তুলেছেন। এনিয়ে সরব হয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, যখন শাসক মানুষকে কাজ দিতে পারে না, খেলা, মেলা, গান, চটুল নাচের মাধ্যমে বিভ্রান্ত করতে চায় জনগণকে। শাসক দল ও প্রশাসনের অনুমতিতেই চলছে জুয়ার ঠেক।
তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজউদ্দিন মিঁয়ার কথায়, আমাদের কাছে খবর আসছে কিছু জায়গায় যাত্রাগানের আড়ালে জুয়া চলছে। খবর পেলেই প্রশাসনের নজরে আনছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা চাই পরিবেশ যেন ভালো থাকে। তবে বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, জুয়ার বোর্ডে আগুন লাগানো নিয়ে লিখিত অভিযোগ পাইনি। জুয়া বন্ধ করতে লাগাতার অভিযান চলছে।
পুলিস সূত্রে খবর, বালুরঘাটে কামারপাড়া ও জলঘর হাটে সবচেয়ে বেশি জুয়ার আসর বসে। বার বার অভিযান চালালেও বন্ধ হয়নি। সম্প্রতি কুমারগঞ্জেও জুয়ার আসরের ভিডিও ভাইরাল হয়। পাশাপাশি আসরগুলিতে অশ্লীল নাচ চলছে বলেও অভিযোগ। কালীপুজোর পর থেকে অনেক জায়গায় মেলা বসছে। সেখানে প্যান্ডেল করে অনুষ্ঠানের আড়ালে জুয়া খেলা হচ্ছে বলে দাবি একাংশ বাসিন্দার। সেজন্য তাঁরা লাগাতার অভিযানের দাবি তুলেছেন। এনিয়ে সরব হয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, যখন শাসক মানুষকে কাজ দিতে পারে না, খেলা, মেলা, গান, চটুল নাচের মাধ্যমে বিভ্রান্ত করতে চায় জনগণকে। শাসক দল ও প্রশাসনের অনুমতিতেই চলছে জুয়ার ঠেক।
তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজউদ্দিন মিঁয়ার কথায়, আমাদের কাছে খবর আসছে কিছু জায়গায় যাত্রাগানের আড়ালে জুয়া চলছে। খবর পেলেই প্রশাসনের নজরে আনছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা চাই পরিবেশ যেন ভালো থাকে। তবে বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।



