সংবাদদাতা, পতিরাম: খাদ্যনালীতে ছিদ্র। পেটের ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন যুবক। ল্যাপরোস্কোপির মাধ্যমে এই প্রথম জটিল অস্ত্রোপচার করে তাঁকে সুস্থ করলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা। পেট না কেটে শুধুমাত্র ছিদ্র করে খাদ্যনালীর জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছে। এই হাসপাতালে এমন অস্ত্রোপচার প্রথম বলে দাবি চিকিৎসকদের।
Advertisement
হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, এই ধরনের অস্ত্রোপচার বালুরঘাটে হয়নি। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজগুলিতে হয়। পেট না কেটে শুধুমাত্র ফুটো করেই খাদ্যনালীর অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। আমাদের দুই চিকিৎসকের বিশেষ তত্ত্বাবধানে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই ধরনের অস্ত্রোপচার আরও করতে তৈরি চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, রোগীর নাম হৃদয় মার্ডি (১৯)। বাড়ি কুমারগঞ্জ ব্লকের রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড়াইল এলাকায়। তিনি গত ৩ ডিসেম্বর বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন তাঁর খাদ্যনালী ফুটো হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় তাঁকে রেফার না করে হাসপাতালেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সুপারের নির্দেশে চিকিৎসক দেবাশিস বিশ্বাস ও জগবন্ধু মুর্মু মিলে প্রায় ঘণ্টাদুয়েক অস্ত্রোপচার করেন। যুবককে সাতদিন অবজারভেশনে রাখার পর মঙ্গলবার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হৃদয় বলেন, আমি নির্মাণ শ্রমিক। দীর্ঘদিন পেটের ব্যথায় ভুগছিলাম। কিছু খেতে পারতাম না। ঠিকমতো কাজও করতে পারছিলাম না। পেটের ব্যথা নিয়ে কুমারগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু সেখানেও ব্যথা না কমায় বালুরঘাট হাসপাতালে রেফার করে। এখানেই অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়েছি।
হৃদয়ের মা বাসন্তী মুর্মুর কথায়, আমরা খুবই গরিব। বাইরের হাসপাতালে গিয়ে এই অস্ত্রোপচার করতে দেড় লাখ টাকা প্রয়োজন ছিল। তাই হাসপাতালের উপরে ভরসা করেছিলাম। ছেলেকে সুস্থ করে দেওয়ায় চিকিত্সকদের ধন্যবাদ।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, রোগীর নাম হৃদয় মার্ডি (১৯)। বাড়ি কুমারগঞ্জ ব্লকের রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড়াইল এলাকায়। তিনি গত ৩ ডিসেম্বর বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন তাঁর খাদ্যনালী ফুটো হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় তাঁকে রেফার না করে হাসপাতালেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সুপারের নির্দেশে চিকিৎসক দেবাশিস বিশ্বাস ও জগবন্ধু মুর্মু মিলে প্রায় ঘণ্টাদুয়েক অস্ত্রোপচার করেন। যুবককে সাতদিন অবজারভেশনে রাখার পর মঙ্গলবার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হৃদয় বলেন, আমি নির্মাণ শ্রমিক। দীর্ঘদিন পেটের ব্যথায় ভুগছিলাম। কিছু খেতে পারতাম না। ঠিকমতো কাজও করতে পারছিলাম না। পেটের ব্যথা নিয়ে কুমারগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু সেখানেও ব্যথা না কমায় বালুরঘাট হাসপাতালে রেফার করে। এখানেই অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়েছি।
হৃদয়ের মা বাসন্তী মুর্মুর কথায়, আমরা খুবই গরিব। বাইরের হাসপাতালে গিয়ে এই অস্ত্রোপচার করতে দেড় লাখ টাকা প্রয়োজন ছিল। তাই হাসপাতালের উপরে ভরসা করেছিলাম। ছেলেকে সুস্থ করে দেওয়ায় চিকিত্সকদের ধন্যবাদ।



