সংবাদদাতা, পতিরাম: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের তরফে আবাসের তালিকা প্রকাশ করেও দাবি ও আপত্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই দাবি ও আপত্তির জেরেই এবার বালুরঘাট ব্লকেই বাদ গেল ৮৯৬ জন উপভোক্তার নাম। কারও পাকা বাড়ি আছে, কেউ চাকরি পেয়েছেন, কারও আর্থিক অবস্থা ভালো। বালুরঘাট ব্লকে প্রশাসনের কাছে এমন শতাধিক দাবি ও আপত্তি জমা পড়েছিল। এনিয়ে ফের সার্ভে করে ব্লক প্রশাসন। এরপরেই বাদ যায় ওই উপভোক্তাদের নাম। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, সমস্ত ব্লকেই এমন চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হচ্ছে। সেই তালিকা আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, জেলার চূড়ান্ত তালিকা আগামী ১৩ এবং ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে।
Advertisement
বালুরঘাটের বিডিও সম্বল ঝা বলেন, ২৬ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর সময় ছিল। সেই সময়ে অনেক আবেদনই জমা পড়েছিল। আমরা সার্ভে করে ৮৯৬ জনকে বাদ দিয়েছি। সবমিলিয়ে এখন ব্লকে ১২ হাজার ৩৩৮ জন ঘর পাওয়ার যোগ্য। সেই তালিকা আমরা জেলায় পাঠিয়েছি। বালুরঘাট ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, আবাসের তালিকায় ১৩ হাজার ৮৯৮ জনের নাম ছিল। ব্লক অফিসে দাবিদাওয়া ও আপত্তি চলাকালীন ১১০ জনের অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফের টিম মাঠে নামে। এরপরেই ১২ হাজার ৩৩৮ জন উপভোক্তাকে যোগ্য ধরা হয়েছে। ৮৯৬ জনকে অযোগ্য ধরে ওই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ৬৬৪ জন উপভোক্তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে ৮৩ হাজার ২৭৬ জন উপভোক্তার নাম আবেদনে ছিল। আগের সার্ভেতে তাদের মধ্যে ৭১ হাজার ৯৭২ জন উপভোক্তা যোগ্য বলে উঠে এসেছে। বাকি ৯ হাজার ৪৬৯ জনকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার অভাব অভিযোগের ভিত্তিতে সব ব্লকেই আরও নাম বাদ যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি ব্লকে এই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে। এবার বালুরঘাট ব্লকে চূড়ান্ত তালিকা জেলায় পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি এই আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, তৃণমূল নেতৃত্ব প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ করেই দলীয় কর্মীদের ঘর দিয়েছে। অনেক যোগ্যকে এই তালিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অনেক জায়গাতেই ঘর পাওয়ার জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগে উঠেছে। পাল্টা এই মন্তব্য ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে জেলা তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিন দফায় সার্ভে হয়েছে, এরপরেই রাজ্য সরকার ঘরের টাকা দেবে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি এই আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, তৃণমূল নেতৃত্ব প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ করেই দলীয় কর্মীদের ঘর দিয়েছে। অনেক যোগ্যকে এই তালিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অনেক জায়গাতেই ঘর পাওয়ার জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগে উঠেছে। পাল্টা এই মন্তব্য ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে জেলা তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিন দফায় সার্ভে হয়েছে, এরপরেই রাজ্য সরকার ঘরের টাকা দেবে।



