নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ইঁদুরের উৎপাত থেকে রেহাই পেতে ভরসা করা হয়েছিল বিড়ালের উপর। এবার বিড়ালের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। মার্জারকুলকে বাগে আনতে হন্যে হয়ে পশুপ্রেমী সংগঠনের খোঁজ করছেন হাসপাতালের আধিকারিকরা। কিন্তু কেউ বিড়ালের দলকে হাসপাতাল থেকে নিতে আসছে না। বিড়াল নিয়ে কর্তৃপক্ষ অথৈ জলে পড়েছে। বিশেষ করে কিছুদিন আগে সোনামুখীতে কুকুরে মুখে করে ভ্রুণ নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকে বিড়ালের দৌরাত্ম্য নিয়ে মেডিক্যালের আধিকারিকরা বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে ওয়ার্ডের বেডের তলায়ও বিড়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে। অন্তঃসত্ত্বা ও সদ্যোজাতদের বিড়ালে আঁচড়ে বা কামড়ে দিলে কর্তৃপক্ষ চাপে পড়বে বলে তাঁরা মনে করছেন।
Advertisement
বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি অর্পণকুমার গোস্বামী বলেন, প্রসূতি ওয়ার্ড তথা ‘মাতৃমা’ ভবনে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে। অন্তঃসত্ত্বাদের আত্মীয় পরিজনের ভিড় সেখানে লেগেই থাকে। খাবারের উচ্ছ্বিষ্ট যত্রতত্র পড়ে থাকে। তা খেতেই বিড়ালের আগমন ঘটেছিল। পরে বিড়ালের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। বিড়ালগুলিকে বারবার তাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু পরক্ষণেই সেগুলি ফের প্রসূতি ওয়ার্ডে ফিরে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা বিড়াল ধরে নিয়ে যায়, এমন পশুপ্রেমী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার খোঁজ করছি। পশুপ্রেমীরা আমাদের সাহায্য করতে এগিয়ে এলে ভালো হয়।
উল্লেখ্য, সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বাঁকুড়া শহরের এক প্রান্তে অবস্থিত। হাসপাতালের চারপাশে গাছপালা, ঝোপজঙ্গল ও ফাঁকা মাঠ রয়েছে। ফলে সেখানে কুকুর, বিড়াল, ইঁদুরের উপদ্রব লেগেই থাকে। তবে এতদিন হাসপাতালের বাইরেই এদের উৎপাত সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমানে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ধেড়ে ও নেংটি ইঁদুর এবং বিড়ালের জ্বালায় রোগী ও তাঁদের পরিজনরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।
প্রসূতি বিভাগে ভর্তি রোগীর আত্মীয় শ্যামল ভট্টাচার্য, রীণা মোদক বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই ‘মাতৃমা’ ভবনে বিড়ালের দৌরাত্ম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রসূতি বিভাগে থাকা বিড়ালগুলির ভয়ডর নেই। বিড়ালে পাতা থেকে খাবার মুখে তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে। ওয়ার্ডের বেডের নীচে বেশিরভাগ সময় সেগুলি ঘুরে বেড়ায়। ফাঁকা বেডের উপরেও উঠে বসে থাকে। তাড়ালেও যাচ্ছে না। কখনো কখনো আবার বিরক্ত হয়ে কামড়ানোর জন্য তেড়ে আসছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্যকর্মী বলেন, বেড়ালের দৌরাত্ম্য বাড়ার পিছনে কর্তৃপক্ষের একাংশও দায়ী। একসময় হাসপাতালের ওয়ার্ডে, স্টোর রুমে, রান্নাঘরে ইঁদুরের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছিল। তখন বিড়ালগুলিকে কার্যত ‘জামাই আদর’ করে রাখা হতো। পরে ইঁদুরের সংখ্যা কমলেও বিড়ালের মাত্রাছাড়া বংশবৃদ্ধি হয়। হাসপাতালেই মার্জারকুল কার্যত ‘সংসার’ পেতে বসেছে। এখন সেগুলি সকলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বাঁকুড়া শহরের এক প্রান্তে অবস্থিত। হাসপাতালের চারপাশে গাছপালা, ঝোপজঙ্গল ও ফাঁকা মাঠ রয়েছে। ফলে সেখানে কুকুর, বিড়াল, ইঁদুরের উপদ্রব লেগেই থাকে। তবে এতদিন হাসপাতালের বাইরেই এদের উৎপাত সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমানে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ধেড়ে ও নেংটি ইঁদুর এবং বিড়ালের জ্বালায় রোগী ও তাঁদের পরিজনরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।
প্রসূতি বিভাগে ভর্তি রোগীর আত্মীয় শ্যামল ভট্টাচার্য, রীণা মোদক বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই ‘মাতৃমা’ ভবনে বিড়ালের দৌরাত্ম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রসূতি বিভাগে থাকা বিড়ালগুলির ভয়ডর নেই। বিড়ালে পাতা থেকে খাবার মুখে তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে। ওয়ার্ডের বেডের নীচে বেশিরভাগ সময় সেগুলি ঘুরে বেড়ায়। ফাঁকা বেডের উপরেও উঠে বসে থাকে। তাড়ালেও যাচ্ছে না। কখনো কখনো আবার বিরক্ত হয়ে কামড়ানোর জন্য তেড়ে আসছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্যকর্মী বলেন, বেড়ালের দৌরাত্ম্য বাড়ার পিছনে কর্তৃপক্ষের একাংশও দায়ী। একসময় হাসপাতালের ওয়ার্ডে, স্টোর রুমে, রান্নাঘরে ইঁদুরের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছিল। তখন বিড়ালগুলিকে কার্যত ‘জামাই আদর’ করে রাখা হতো। পরে ইঁদুরের সংখ্যা কমলেও বিড়ালের মাত্রাছাড়া বংশবৃদ্ধি হয়। হাসপাতালেই মার্জারকুল কার্যত ‘সংসার’ পেতে বসেছে। এখন সেগুলি সকলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



