দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: ভালোবাসার মরশুমে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে প্রেমের গোলাপ বিলোচ্ছে বাংলা! শান্তিরও। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের উদ্যোগে উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সরস আজীবিকা মেলা। দেশের বিভিন্ন রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের রোজগারের পথ সুগম করতে এই সরস আজীবিকা মেলা অন্যতম একটি মঞ্চ। সেখানেই বাংলার শৈলশহর দার্জিলিংয়ের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উল দিয়ে বোনা লাল এবং সাদা গোলাপের চাহিদা একেবারে তুঙ্গে।
Advertisement
নিজেদের পসরা নিয়ে মেলায় এসেছেন মিরিকের মনি রাই, শিখা রাইয়েরা। মেলা উপলক্ষ্যে প্রথমবারের জন্য দিল্লি-নয়ডায় এসে স্বভাবতই তাঁরা উচ্ছ্বসিত। সাফ জানালেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এভাবে কাজ করতে পারছি। নাহলে দিল্লি আসা তো দূর কি বাত। ব্যবসা বাড়ানোই সম্ভব হতো না।
দিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডায় এই সরস আজীবিকা মেলা চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। অর্থাৎ, হাতে রয়েছে আরও প্রায় দু’সপ্তাহ। প্রেম এবং শান্তির বার্তা বিলোনোয় তাই আরও বেশ কিছুটা সময় পাবেন। এমনই মনে করছেন উত্তরবঙ্গের ব্যবসায়ীরা।
তবে শুধুই গোলাপ নয়। উল দিয়ে সুনিপুণ দক্ষতায় বাংলার এই স্বনির্ভর গোষ্ঠী ফুটিয়ে তুলেছে একের পর এক রং বেরংয়ের টিউলিপ, ল্যাভেন্ডারের মতো নজরকাড়া ফুল। যেন হীরক রাজ্যের সেই একমেবদ্বিতীয়ম গবেষকের আবিষ্কার— ‘এই ফুল ঝরে না, মরে না, পোকা ধরে না!’ তবে এক্ষেত্রে সুবাসটুকুই অনুপস্থিত! তবে তাতে দার্জিলিংয়ের শিল্পীদের শিল্পকর্মের আকর্ষণ বিন্দুমাত্র কমেনি ক্রেতাদের কাছে। মনি রাই জানালেন, প্রতি পিস ফুলের দাম ১০০ টাকা। রয়েছে টবের মধ্যে রাখা ফুলও। তার প্রতিটির দাম ২০০ টাকা। উল দিয়ে একটি ফুল বুনতে সময় লাগে অন্তত দু’থেকে তিন দিন। টবের হলে আরও ক’দিন বেশি। কিন্তু শেষমেশ যা তৈরি হয়, তাতে অন্তত দূর থেকে দেখলে আসল এবং নকলের পার্থক্য অনেক সময়ই গুলিয়ে যেতে বাধ্য।
বিক্রেতাদের দাবি, মেলার পাঁচদিনেই উলের বোনা ফুল বিক্রি হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকার। অর্ডার দিলে নিজের পছন্দ মতো ফুলের গুচ্ছ বানিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তেমন প্রশ্নও করছেন মেলায় ঘুরতে আসা মানুষ। মনি-শিখা রাইরা বলেন, ‘মমতা দিদি না থাকলে এটা সম্ভবই হতো না। দিল্লি আসতে বা এখানে থাকতে আমাদের এক পয়সাও দিতে হচ্ছে না। সল্টলেকের সবলা মেলায় আমরা এর আগে গিয়েছি। কিন্তু দিল্লির অভিজ্ঞতা এই প্রথম।’ উদ্যোক্তা গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ৪০০টিরও বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা নয়ডা হাটের এই মেলায় অংশ নিয়েছেন। -নিজস্ব চিত্র
দিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডায় এই সরস আজীবিকা মেলা চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। অর্থাৎ, হাতে রয়েছে আরও প্রায় দু’সপ্তাহ। প্রেম এবং শান্তির বার্তা বিলোনোয় তাই আরও বেশ কিছুটা সময় পাবেন। এমনই মনে করছেন উত্তরবঙ্গের ব্যবসায়ীরা।
তবে শুধুই গোলাপ নয়। উল দিয়ে সুনিপুণ দক্ষতায় বাংলার এই স্বনির্ভর গোষ্ঠী ফুটিয়ে তুলেছে একের পর এক রং বেরংয়ের টিউলিপ, ল্যাভেন্ডারের মতো নজরকাড়া ফুল। যেন হীরক রাজ্যের সেই একমেবদ্বিতীয়ম গবেষকের আবিষ্কার— ‘এই ফুল ঝরে না, মরে না, পোকা ধরে না!’ তবে এক্ষেত্রে সুবাসটুকুই অনুপস্থিত! তবে তাতে দার্জিলিংয়ের শিল্পীদের শিল্পকর্মের আকর্ষণ বিন্দুমাত্র কমেনি ক্রেতাদের কাছে। মনি রাই জানালেন, প্রতি পিস ফুলের দাম ১০০ টাকা। রয়েছে টবের মধ্যে রাখা ফুলও। তার প্রতিটির দাম ২০০ টাকা। উল দিয়ে একটি ফুল বুনতে সময় লাগে অন্তত দু’থেকে তিন দিন। টবের হলে আরও ক’দিন বেশি। কিন্তু শেষমেশ যা তৈরি হয়, তাতে অন্তত দূর থেকে দেখলে আসল এবং নকলের পার্থক্য অনেক সময়ই গুলিয়ে যেতে বাধ্য।
বিক্রেতাদের দাবি, মেলার পাঁচদিনেই উলের বোনা ফুল বিক্রি হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকার। অর্ডার দিলে নিজের পছন্দ মতো ফুলের গুচ্ছ বানিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তেমন প্রশ্নও করছেন মেলায় ঘুরতে আসা মানুষ। মনি-শিখা রাইরা বলেন, ‘মমতা দিদি না থাকলে এটা সম্ভবই হতো না। দিল্লি আসতে বা এখানে থাকতে আমাদের এক পয়সাও দিতে হচ্ছে না। সল্টলেকের সবলা মেলায় আমরা এর আগে গিয়েছি। কিন্তু দিল্লির অভিজ্ঞতা এই প্রথম।’ উদ্যোক্তা গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ৪০০টিরও বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা নয়ডা হাটের এই মেলায় অংশ নিয়েছেন। -নিজস্ব চিত্র



