নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে শিলিগুড়িতে। প্রশাসন সূত্রে খবর, তালিকা প্রকাশের সাতদিনের মধ্যে অভিযোগ দাখিল হয়েছে ৫০২টি। এমন অভিযোগের সংখ্যা সর্বাধিক ফাঁসিদেওয়া ব্লকে। সেগুলি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। অন্যদিকে, উপভোক্তা তালিকা নিয়ে মহকুমায় শুরু হয়েছে গ্রামসভা। বুধবার একদিনেই ১৪টি গ্রামসভা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত কোথাও কোনও গোলমাল হয়নি বলেই খবর।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, চারটি ব্লকে খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে কিছু অভিযোগ এসেছে। সেগুলি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তালিকা নিয়ে গ্রামসভাও শুরু হয়েছে।
রাজ্যে সরকারের নির্দেশে গত ২৭ নভেম্বর বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করে প্রশাসন। তাতে সম্ভাব্য যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ১৬ হাজার ৯৬২ জন। আর অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৫১৫৩ জন। গ্রামবাসীদের মতামত নেওয়ার জন্য সেই তালিকা প্রতিটি বিডিও অফিসের নোটিস বোর্ডে ঝোলানো হয়। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিডিও অফিসগুলিতে প্রচুর অভিযোগ পড়েছে। কেউ কেউ তালিকায় নাম তোলার আবেদন করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা ঘর পাওয়ার যোগ্য। আবার কেউ কেউ সম্ভাব্য যোগ্য উপভোক্তাদের মধ্যে কয়েকজনকে অযোগ্য বলে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
প্রশাসন সূত্রের খবর, সাতদিনে মোট অভিযোগ দাখিল হয়েছে ৫০২টি। যারমধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে ২৫০টি, খড়িবাড়িতে ১৪০টি, নকশালবাড়িতে ১০০টি এবং মাটিগাড়ায় ১২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা বলেন, অধিকাংশ অভিযোগ ও দাবিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরেজমিন খতিয়ে দেখে বেশকিছু অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে।
এই অবস্থায় এদিন মহকুমায় গ্রামসভার সূচনা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ২২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে এদিন ১৪টিতে খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে সভা হয়। আজ, বৃহস্পতিবার বাকি আটটি পঞ্চায়েতে সভা হবে। প্রশাসনের কর্তারা জানান, গ্রামসভায় পাস হওয়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে আগামী ৬ ডিসেম্বর ব্লক কমিটির মিটিং হবে। আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা কমিটির বৈঠক করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রাজ্যে সরকারের নির্দেশে গত ২৭ নভেম্বর বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করে প্রশাসন। তাতে সম্ভাব্য যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ১৬ হাজার ৯৬২ জন। আর অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৫১৫৩ জন। গ্রামবাসীদের মতামত নেওয়ার জন্য সেই তালিকা প্রতিটি বিডিও অফিসের নোটিস বোর্ডে ঝোলানো হয়। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিডিও অফিসগুলিতে প্রচুর অভিযোগ পড়েছে। কেউ কেউ তালিকায় নাম তোলার আবেদন করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা ঘর পাওয়ার যোগ্য। আবার কেউ কেউ সম্ভাব্য যোগ্য উপভোক্তাদের মধ্যে কয়েকজনকে অযোগ্য বলে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
প্রশাসন সূত্রের খবর, সাতদিনে মোট অভিযোগ দাখিল হয়েছে ৫০২টি। যারমধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে ২৫০টি, খড়িবাড়িতে ১৪০টি, নকশালবাড়িতে ১০০টি এবং মাটিগাড়ায় ১২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা বলেন, অধিকাংশ অভিযোগ ও দাবিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরেজমিন খতিয়ে দেখে বেশকিছু অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে।
এই অবস্থায় এদিন মহকুমায় গ্রামসভার সূচনা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ২২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে এদিন ১৪টিতে খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে সভা হয়। আজ, বৃহস্পতিবার বাকি আটটি পঞ্চায়েতে সভা হবে। প্রশাসনের কর্তারা জানান, গ্রামসভায় পাস হওয়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে আগামী ৬ ডিসেম্বর ব্লক কমিটির মিটিং হবে। আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা কমিটির বৈঠক করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।



