সংবাদদাতা, ইসলামপুর: পাঞ্জিপাড়ায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলার বাড়ির টাকা উধাও কাণ্ডে আটক বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী সহ এক সাইবার ক্যাফের মালিক। দু’জনকে আটক করে ইসলামপুর সাইবার থানা তদন্ত শুরু করেছে। রবিবার গভীর রাতে তাদের আটক করা হয়। প্রতারিত উপভোক্তাদেরও সোমবার সাইবার থানায় ডাকে পুলিস। তাদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ নেওয়ার পাশাপাশি খুঁটিনাটি তথ্য জিজ্ঞাসা করেন আধিকারিকরা। এদিকে এক উপভোক্তার আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যার ছেলের বিরুদ্ধেও।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় একটি সাইবার ক্যাফের মালিককে আটক করা হয়েছে। সেখান থেকেই উপভোক্তারা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্ত করেছিল। এক প্রতারিত উপভোক্তার আধার ভেরিফিকেশনে এক পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর মোবাইল নম্বর যুক্ত আছে। আরও কয়েকজনের খোঁজ চলছে। কিছু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ধাপে ধাপে ২০ থেকে ২৬ হাজার পর্যন্ত টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে বলে খবর প্রশাসন সূত্রে।
গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি অবশ্য ঘরের টাকা উধাও কাণ্ডে বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজ্যকে আবাসের টাকা দেয়নি। মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কোষাগার থেকে দরিদ্র মানুষকে বাংলার বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছেন। বিজেপির তাতে সহ্য হচ্ছে না। পাঞ্জিপাড়ার যে এলাকায় বাংলার বাড়ির টাকা উধাও হয়েছে, সেই সংসদ বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের। ঘটনায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীকে আটক করেছে পুলিস। মন্ত্রী গোলাম রব্বানি বলেন,আমার মনে হয় এর পিছনে বিজেপির চক্রান্ত রয়েছে। ইসলামপুর পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন,দু’জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
বিজেপি নেতা আনন্দ মণ্ডলের দাবি, পুলিস মূল অপরাধীদের খোঁজ করছে না। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর মোবাইল নম্বর একজনের আধার নম্বরের সঙ্গে যুক্ত বলেই আটক করেছে। ঘটনাকে অন্যদিকে মোড় দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এখানে বিজেপির কোনও ব্যাপার নেই।
অন্যদিকে, গোয়ালপোখর সাহাপুর ২ গ্রামপঞ্চায়েতের উদয়নগড় এলাকার এক উপভোক্তার অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার ছেলের বিরুদ্ধে। বৃদ্ধা পার্বতী মণ্ডল বলেন, ৩১ ডিসেম্বর আমার অ্যাকাউন্টে ঘরের টাকা ঢোকে। পরের দিনই পঞ্চায়েত সদস্য মিনতি রায়ের ছেলে রাজু রায় আমাকে ভুল বুঝিয়ে একটি যন্ত্রে আমার আঙ্গুলের ছাপ নেয়। ৪ জানুয়ারি ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারি অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার টাকা তোলা হয়েছে। বৃদ্ধা মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। যদিও ছেলের টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য মিনতি রায়। তিনি বলেন, উপভোক্তা বিজেপি করে। তাই আমাদের বদনাম করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে।
এর আগে রাজ্য সরকারের তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে পড়ুয়াদের দেওয়া ট্যাবের টাকা জালিয়াতির কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর ও গোয়ালপোখর। এবার রাজ্য সরকারের বাংলার বাড়ির টাকা গায়েব হওয়ার মতো ঘটনা সামনে আসায় পুলিস ও প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন উপভোক্তারা।
গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি অবশ্য ঘরের টাকা উধাও কাণ্ডে বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজ্যকে আবাসের টাকা দেয়নি। মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কোষাগার থেকে দরিদ্র মানুষকে বাংলার বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছেন। বিজেপির তাতে সহ্য হচ্ছে না। পাঞ্জিপাড়ার যে এলাকায় বাংলার বাড়ির টাকা উধাও হয়েছে, সেই সংসদ বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের। ঘটনায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীকে আটক করেছে পুলিস। মন্ত্রী গোলাম রব্বানি বলেন,আমার মনে হয় এর পিছনে বিজেপির চক্রান্ত রয়েছে। ইসলামপুর পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন,দু’জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
বিজেপি নেতা আনন্দ মণ্ডলের দাবি, পুলিস মূল অপরাধীদের খোঁজ করছে না। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর মোবাইল নম্বর একজনের আধার নম্বরের সঙ্গে যুক্ত বলেই আটক করেছে। ঘটনাকে অন্যদিকে মোড় দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এখানে বিজেপির কোনও ব্যাপার নেই।
অন্যদিকে, গোয়ালপোখর সাহাপুর ২ গ্রামপঞ্চায়েতের উদয়নগড় এলাকার এক উপভোক্তার অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার ছেলের বিরুদ্ধে। বৃদ্ধা পার্বতী মণ্ডল বলেন, ৩১ ডিসেম্বর আমার অ্যাকাউন্টে ঘরের টাকা ঢোকে। পরের দিনই পঞ্চায়েত সদস্য মিনতি রায়ের ছেলে রাজু রায় আমাকে ভুল বুঝিয়ে একটি যন্ত্রে আমার আঙ্গুলের ছাপ নেয়। ৪ জানুয়ারি ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারি অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার টাকা তোলা হয়েছে। বৃদ্ধা মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। যদিও ছেলের টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য মিনতি রায়। তিনি বলেন, উপভোক্তা বিজেপি করে। তাই আমাদের বদনাম করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে।
এর আগে রাজ্য সরকারের তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে পড়ুয়াদের দেওয়া ট্যাবের টাকা জালিয়াতির কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর ও গোয়ালপোখর। এবার রাজ্য সরকারের বাংলার বাড়ির টাকা গায়েব হওয়ার মতো ঘটনা সামনে আসায় পুলিস ও প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন উপভোক্তারা।



