নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মোদি সরকার ঘৃণার রাজনীতি করে। দেশকে বিভাজনে উস্কায় বলেই মঙ্গলবার লোকসভায় তোপ দাগল তৃণমূল। বাংলায় নারেগার সাত হাজার কোটি টাকা কেন আটকে রাখা হয়েছে, কেন বাংলাকে বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে দলের বক্তা হিসেবে তা সওয়াল করেন সৌগত রায়। রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের চর্চায় অংশ নিয়ে তিনি তোলেন বীর সাভারকর প্রসঙ্গও। বলেন, বিজেপি যতই সাভারকরকে পুজো করুক, আমরা তা করতে পারব না। নিজের বক্তৃতায় নরেন্দ্র মোদিকে খোঁচাও দেন সৌগতবাবু। বলেন, কিছুদিন পরেই তো প্রধানমন্ত্রী আমেরিকা যাবেন। কিন্তু তাঁর ওই আমেরিকা যাত্রায় কি টাকার মূল্য পতন আটকাবে? ডলার পিছু টাকার মূল্য তো ক্রমশ পড়ছে। অন্যদিকে, রাজ্যসভায় মমতাবালা ঠাকুর গঙ্গাসাগর মেলার সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। জিরো আওয়ারে প্রশ্ন তোলেন, কেন এই মেলাকে জাতীয় মেলার মর্যাদা দেওয়া হবে না? দলের আর এক সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার নাম পরিবর্তনের বিষয়টিকে ফের কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কৃষকদের উপার্জন দ্বিগুণ এবং প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধিতে কত টাকা বিজ্ঞাপনে খরচ করেছে মোদি সরকার, তা নিয়ে এদিন সরকারের দুটি পৃথক প্রশ্নে জবাব চেয়েছিলেন দীপক অধিকারী (দেব) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়নি কেন্দ্র। নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশে প্রতি লক্ষ নাগরিকের অনুপাতে পুলিসের সংখ্যা কত? লিখিতভাবে সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। জবাবে স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, গোটা দেশে এক লক্ষ নাগরিক প্রতি গড়ে ১৫৪ জন পুলিস রয়েছে। বাংলায় ১০১।



