Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলার বাড়ি প্রকল্প: কেউ ওটিপি চাইলেই ফোন করুন ১১২ নম্বরে, পরামর্শ নবান্নের, ওত পেতে আছে সাইবার প্রতারকরা

বাংলার বাড়ি প্রকল্প: কেউ ওটিপি চাইলেই ফোন করুন ১১২ নম্বরে, পরামর্শ নবান্নের, ওত পেতে আছে সাইবার প্রতারকরা
  • ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা, বারাসত ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ১২ লক্ষ প্রন্তিক মানুষকে বাড়ি তৈরির টাকা দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ পাঁচ জেলায় চলছে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর শেষ মুহূর্তের কাজ। এই সময়টাকেই ‘টার্গেট’ করে সাইবার অপরাধীরা। তাই সাইবার অপরাধীদের খপ্পর থেকে ‘বাংলার বাড়ি’র উপভোক্তাদের বাঁচাতে জোর প্রচার চালাচ্ছে নবান্ন। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতানোর ঘটনা ঘটেছে। তাই এক্ষেত্রে আরও সচেতনতা ও সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার। সেই লক্ষ্যে জেলাগুলির জন্য পাঁচ দফা নির্দেশিকা জারি করেছে পঞ্চায়েত দপ্তর। তবে এবার শুধু উপভোক্তাদের সজাগ করেই থেমে থাকতে চাইছে না রাজ্য। তাঁদের সুরক্ষার স্বার্থে সাইবার অপরাধীদের পাকড়াও করতে সমস্ত ধরনের তৎপরতা চালানো হচ্ছে। সেই কারণে ফোন করে কেউ কোনও ওটিপি চাইলেই হেল্পলাইন নম্বর ১১২-তে ফোন করার আর্জি জানানো হচ্ছে উপভোক্তাদের। জেলায় জেলায় সচেতনতা শিবিরও করা হচ্ছে। পঞ্চায়েত দপ্তরের আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক করছেন। উপভোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বাড়ি তৈরি সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় নিয়েও পরামর্শ ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন তাঁরা।    
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দমকল, অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিসি সাহায্যের জন্য এই হেল্পলাইন নম্বরটি ব্যবহৃত হয়।    ১১২-তে ফোন করলেই উপভোক্তাদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করবে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিস। শুরু হবে তদন্ত। তবে তার আগে কেউ যাতে ওটিপি ও আধার নম্বর না দিয়ে ফেলেন, সে ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে উপভক্তোদের। তাঁদের বলে দেওয়া হচ্ছে, জেলা বা বিডিও অফিস থেকে উপভোক্তাদের ফেন করলেও কেউই কখনও ওটিপি বা আধার নম্বর চাইবে না। রাজ্যের এক আধিকারিক জানান, মানুষের জানা উচিত, এসব তথ্য সরকারের কাছে আগে থেকেই রয়েছে। ১২ লক্ষ উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকে গিয়েছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মিটিয়ে মুর্শিদাবাদ, হুগলি, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ‘পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্ট’ থেকে বেশ কিছু উপভোক্তাকে প্রথম কিস্তির টাকা ছাড়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই সেই টাকা সংশ্লিষ্ট উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এমন উপভোক্তার সংখ্যা ১৯ হাজার বলে জানা গিয়েছে। 
সম্পর্কিত সংবাদ