সংবাদদাতা, সিউড়ি: বীরভূমে বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সহ একাধিক জায়গায় বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও ঢুকছে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা। এমনকী, উপভোক্তার তালিকায় রয়েছেন পাকাবাড়িতে বসবাসকারী বিজেপির বুথস্তরের নেতা ও কর্মীরা। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের দাবি, বাংলার বাড়ি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনওভাবেই রাজনীতির রং দেখা হচ্ছে না। বিজেপির তোলা যাবতীয় অভিযোগ মিথ্যা। অন্যদিকে, পাকাবাড়ি পেয়ে বেজায় খুশি বিজেপির নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশ। মমতায় মুগ্ধ তাঁরা।
Advertisement
ক’দিন আগে বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রাজনীতির ময়দান গরম করেছিলেন। বিভিন্ন বিডিওদের হুমকি পর্যন্ত দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কিন্তু সরকারি তথ্য বলছে, জেলায় বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত গুলিতেও বহু গ্রামবাসী রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তালিকায় রয়েছে গেরুয়া শিবিরের বহু নেতা-কর্মী। অনেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে। অনেকের চূড়ান্ত তালিকায় নাম রয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁদেরও অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে চলেছে।
বিজেপি পরিচালিত দেরিয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। জানা গিয়েছে এই পঞ্চায়েতের কয়েকজন বুথ সভাপতি ও বিজেপি কর্মীর পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি পাচ্ছেন। তালিকা দেখে তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, দেরিয়াপুরে বেশ কিছু দলীয় সমর্থক বাড়ি পাওয়া থেকে বঞ্চিত। রাজনীতির রং দেখে তালিকা তৈরি করলে এই ঘটনা ঘটত না। পঞ্চয়েতের কুনুর গ্রামের বাসিন্দা তথা বিজেপি কর্মী কৃষ্ণকান্ত মণ্ডল বলছিলেন, ‘বাংলার বাড়ি প্রকল্পে আমার নাম রয়েছে। আমি দুঃস্থ গ্রামবাসীদের একজন। আমি জানতামই না, এই টাকা শুধুমাত্র রাজ্য দিচ্ছে। আগে কেন্দ্র দিচ্ছিল। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দিচ্ছে। খুবই ভালো। আমিও বাড়ির অনুদান পেয়ে খুশি। কেন্দ্র সহযোগিতা করলে আমার মতো আরও বহু গরিব মানুষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতেন। এখনও বহু মানুষ রয়েছেন, যাঁদের বাড়ির খুব প্রয়োজন।’
বিজেপি পরিচালিত দেরিয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। জানা গিয়েছে এই পঞ্চায়েতের কয়েকজন বুথ সভাপতি ও বিজেপি কর্মীর পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি পাচ্ছেন। তালিকা দেখে তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, দেরিয়াপুরে বেশ কিছু দলীয় সমর্থক বাড়ি পাওয়া থেকে বঞ্চিত। রাজনীতির রং দেখে তালিকা তৈরি করলে এই ঘটনা ঘটত না। পঞ্চয়েতের কুনুর গ্রামের বাসিন্দা তথা বিজেপি কর্মী কৃষ্ণকান্ত মণ্ডল বলছিলেন, ‘বাংলার বাড়ি প্রকল্পে আমার নাম রয়েছে। আমি দুঃস্থ গ্রামবাসীদের একজন। আমি জানতামই না, এই টাকা শুধুমাত্র রাজ্য দিচ্ছে। আগে কেন্দ্র দিচ্ছিল। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দিচ্ছে। খুবই ভালো। আমিও বাড়ির অনুদান পেয়ে খুশি। কেন্দ্র সহযোগিতা করলে আমার মতো আরও বহু গরিব মানুষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতেন। এখনও বহু মানুষ রয়েছেন, যাঁদের বাড়ির খুব প্রয়োজন।’



