সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: বোলপুর শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা বাড়তে থাকা টোটোর সংখ্যা। যার ফলে দিনরাত শহরের বিভিন্ন বড় রাস্তায় যানজট দেখা দেয়। এতে শহরবাসী ও পর্যটকদের নাজেহাল হতে হয়। পুরসভা টোটোর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কিউআর কোড লাগানো সহ বেশকিছু ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু তাতে টোটোর সংখ্যায় লাগাম টানা যাচ্ছে না। তাই যানজট মেটাতে পুর কর্তৃপক্ষ এবার রেজিস্ট্রেশনহীন অবৈধ টোটো ধরপাকড় শুরু করতে চলেছে। পুরসভার চেয়ারপার্সন পর্ণা ঘোষ বলেন, কীভাবে মানুষকে অসুবিধা থেকে মুক্তি দেওয়া যায়-তা নিয়ে নানারকম পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অবৈধ টোটো ধরপাকড়ের মধ্য দিয়েই সমস্যা মেটানো শুরু হবে। বোলপুরের পাশেই কবিগুরুর কর্মভূমি শান্তিনিকেতন। সেকারণে এশহরের জনসংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এছাড়া, কয়েকহাজার পর্যটক পৌষমেলা সহ নানা সময়ে এখানে ঘুরতে আসেন। সেক্ষেত্রে শহরে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম টোটো। কিন্তু এই তিন চাকার যানের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় যানজট দেখা দিচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বোলপুর শহরে টোটোর সংখ্যা ১০হাজার ছাড়িয়েছে। তার মধ্যে শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের টোটোও রয়েছে। লাগামহীন টোটো চলাচলে দিনের বেশিরভাগ সময় শহরবাসীকে ব্যাপক যানজটে পড়তে হয়। সেইসঙ্গে বেপরোয়াভাবে টোটো চালানো, যেখানে সেখানে পার্কিং ও যাত্রী তোলা, আচমকা রাস্তায় বাঁক নেওয়ার কারণে দুর্ঘটনাও ঘটছে। শহরবাসীর অভিযোগ, বোলপুর পুরসভা এনিয়ে সঠিক পদক্ষেপ করছে না। তবে ইতিমধ্যেই পুরসভার তরফে টোটোর ডানদিক দিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লোহার গ্রিল দিয়ে টোটোর ডানদিক বন্ধ করতে বলা হয়েছে। বেশিরভাগ টোটো চালক সেই নির্দেশ মানলেও বেশকিছু চালক তা মানছেন না। প্রত্যেক টোটোর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও কিউআর কোডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একহাজারেরও বেশি টোটোর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে।



