সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: বোলপুর থানার কাশীপুর গ্রামে বাড়িতে এক বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতার নাম সাজিনা বিবি(৩৩)। মঙ্গলবার বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। বধূর শ্বশুরবাড়ির দাবি, তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।
Advertisement
ওই বধূর দাদা শেখ ডালু সিউড়ি থানার লালকুঠিপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, সাজিনাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় এখনও থানায় কোনও অভিযোগ হয়নি। বোলপুর থানার পুলিস খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমেছে।
১৩বছর আগে কাশীপুরের বাসিন্দা মঞ্জুর শেখের সঙ্গে সিউড়ির লালকুঠিপাড়ার সাজিনা বিবির বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মঞ্জুর শেখের এক বন্ধু সাজিনা বিবির বাপের বাড়িতে ফোন করে তাঁদের বোলপুরে আসতে বলে। তাঁরা রাত ১০টা নাগাদ বোলপুর এলে জানানো হয়, সাজিনা বিবি গলায় দড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। শেখ ডালুর অভিযোগ, এবিষয়ে তাঁর বোনের স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কেউ কোনও কথা বলেনি। তিনি ভাগ্নে-ভাগ্নির সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে হুমকি দিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সাজিনা বিবির দেহের ময়নাতদন্ত হয়।
শেখ ডালু বলেন, ওই বাড়ির যেখানে বোন আত্মহত্যা করেছে বলছে, সেই জায়গাটাই নিচু। সেখানে কেউ গলায় দড়ি দিতে পারবে না। ওরা আমার বোনকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। কয়েকবছর আগে স্বামীর সঙ্গে ব্যাপক অশান্তি হওয়ায় আমার বোন ছাড়াছাড়ি করে চলে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু সেবার তারা ক্ষমা চেয়ে নেয়। সবার সম্মতিতে ওরা আলাদা হয়নি। তারপর এঘটনা ঘটল। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করব।
১৩বছর আগে কাশীপুরের বাসিন্দা মঞ্জুর শেখের সঙ্গে সিউড়ির লালকুঠিপাড়ার সাজিনা বিবির বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মঞ্জুর শেখের এক বন্ধু সাজিনা বিবির বাপের বাড়িতে ফোন করে তাঁদের বোলপুরে আসতে বলে। তাঁরা রাত ১০টা নাগাদ বোলপুর এলে জানানো হয়, সাজিনা বিবি গলায় দড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। শেখ ডালুর অভিযোগ, এবিষয়ে তাঁর বোনের স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কেউ কোনও কথা বলেনি। তিনি ভাগ্নে-ভাগ্নির সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে হুমকি দিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সাজিনা বিবির দেহের ময়নাতদন্ত হয়।
শেখ ডালু বলেন, ওই বাড়ির যেখানে বোন আত্মহত্যা করেছে বলছে, সেই জায়গাটাই নিচু। সেখানে কেউ গলায় দড়ি দিতে পারবে না। ওরা আমার বোনকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। কয়েকবছর আগে স্বামীর সঙ্গে ব্যাপক অশান্তি হওয়ায় আমার বোন ছাড়াছাড়ি করে চলে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু সেবার তারা ক্ষমা চেয়ে নেয়। সবার সম্মতিতে ওরা আলাদা হয়নি। তারপর এঘটনা ঘটল। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করব।



