নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামের অন্যতম পর্যটনস্থল বেলপাহাড়ী। শীত পড়তেই পর্যটকরা বেলপাহাড়ীর কাঁকড়াঝোর, ঢাঙ্গীকুসুম, খঁদারানি, ঘাঘরার মতো পর্যটনস্থলে ভিড় জমাচ্ছেন। বেলপাহাড়ী বাজার পেরিয়ে একটি রাস্তা কাঁকড়াঝোরের দিকে চলে গিয়েছে। বাঁশপাহাড়ীর পাদদেশ দিয়ে যাওয়া ওই ২৫ কিমি রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। ধুলো ও খানাখন্দে ভরা রাস্তার কারণে বেড়াতে এসে পর্যটকদের নাভিশ্বাস উঠেছে।
Advertisement
বেলপাহাড়ী চেকপোস্ট থেকে নটাচুয়া, বালিচুয়া, বুড়িঝোর হয়ে কাঁকড়াঝোর যাওয়ার ওই রাস্তা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তাটি ধসে বসে গিয়েছে। পিচ উঠে কোথাও নুড়িপাথর বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও রাস্তায় ধুলোর স্তূপ। আবার কোথাও ঢালু জমি থেকে আসা জল রাস্তা পিচ্ছিল করে দিয়েছে।বাঁশপাহাড়ীর পাদদেশে দু’পাশে ঘন অরণ্য। জঙ্গলঘেরা পাহাড়ী উঁচুনিচু রাস্তা দিয়েই পর্যটকদের গাড়ি ছুটছে। কাঁকড়াঝোর যাওয়ার এই রাস্তার বেহাল দশায় বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। কলকাতার গড়িয়াহাট থেকে আসা পুষ্পেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, পরিবার নিয়ে অনেকদিন ধরে বেলপাহাড়ী আসার ইচ্ছে ছিল। এখনও পর্যন্ত কেটকি ঝর্ণা, বাবা ভৈরব মন্দির দেখা হয়েছে। পথে বনময়ূরের দেখাও মিলেছে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়েছি। তবে রাস্তা খারাপ হওয়ায় ভ্রমণের আনন্দ কিছুটা হলেও মাটি হয়েছে।খড়্গপুর থেকে আসা পাঁচ সদস্যের বাইক রাইডার গ্ৰুপের অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী বলেন, মাঝেমধ্যেই আমরা বেড়াতে বেরিয়ে পড়ি। বছর শেষের আগে বেলপাহাড়ী আসার প্ল্যান ছিল। আসা সার্থক হয়েছে। কিন্তু বেলপাহাড়ী থেকে কাঁকড়াঝোর যাওয়ার রাস্তা এত খারাপ জানতাম না। এমন রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোয় ঝুঁকি আছে। বাইকের যন্ত্রাংশও খারাপ হতে পারে।পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সমস্যায় পড়েছেন। নটাচুয়া গ্ৰামের বাসিন্দা পবন হেমব্রম বলেন, রাস্তাটি বহুদিন ধরে সংস্কার হয়নি। পর্যটকদের গাড়ি, ভারী লরিও যাতায়াত করে। ফলে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। খানাখন্দে ভরা এই রাস্তা দিয়েই আমাদের যাতায়াত করতে হয়।
বিনপুর -২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ সিং সর্দার বলেন, রাস্তার কিছু জায়গা বেশ খারাপ। জেলা পরিষদকে সব জানানো হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। রাস্তাটি যাতে তাড়াতাড়ি সংস্কার করা যায়-তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিনপুর -২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ সিং সর্দার বলেন, রাস্তার কিছু জায়গা বেশ খারাপ। জেলা পরিষদকে সব জানানো হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। রাস্তাটি যাতে তাড়াতাড়ি সংস্কার করা যায়-তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।



