নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: কাঁকরতলার জামালপুর কাণ্ডের পর বালিপাচার রুখতে জেলা পুলিস প্রশাসন আরও সতর্কতা অবলম্বন করেছে। বালিপাচার রুখতে নিয়মিত অভিযান জারি রয়েছে। সেইসঙ্গে সোমবার দুবরাজপুর ব্লক প্রশাসন ও পুলিসের কর্তারা বিভিন্ন বালিঘাট পরিদর্শন করলেন। চলল ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি। মূলত অবৈধ বালি উত্তোলন রুখতেই এদিন পরিদর্শন চলে। সেসময় আধিকারিকদের নজরে বেশকিছু অস্বাভাবিকতা নজরে এসেছে। প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বিডিও রাজা আদক বলেন, রুটিন পরিদর্শন ছিল। কোথাও কোনও অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হল।
Advertisement
সম্প্রতি জামালপুরে বালির গাড়ি থেকে আদায় করা টাকার ভাগ নিয়ে বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। ঘটনায় রাতারাতি কাঁকরতলা থানার ওসিকে ক্লোজ করা হয়। বোমাবাজির ঘটনায় এখনও অবধি ১০জনকে প্রেপ্তার করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। এসআরডিএর চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল অবৈধ বালিঘাট ইস্যুতে কড়া বার্তাও দেন। পুলিসমহলও আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করেছে। এদিন বিডিও রাজা আদক, বিএলএলআরও মনোজকুমার পাল, ডিএসপি(ক্রাইম) প্রতীক রায় সহ অন্যান্যরা অজয় নদের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। অজয় নদের একদিকে পশ্চিম বর্ধমান জেলার অবস্থান। অন্যদিকে বীরভূম জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা রয়েছে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য ইলামবাজার, খয়রাশোল, দুবরাজপুর। এদিন দুবরাজপুর লাগোয়া অজয় নদ এলাকা পরিদর্শন করা হয়। বৈধ ঘাটগুলিতে কোনও অবৈধ কাজ চলছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি, কোথাও অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ড্রোন ওড়ানো হয়। তাতে অবৈধ বালি উত্তোলনের বিষয়ে কোনও প্রমাণ মেলেনি। কিন্তু কিছু অস্বাভাবিকতা প্রশাসনিক কর্তাদের নজরে এসেছে। অজয় নদের ধারে সাকশন মেশিন পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এবিষয়ে পুলিস ও প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অজয়ের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
ঘাট পরিদর্শনের আগেই এদিন দুবরাজপুর থানার তরফে পাঁচটি বালিবোঝাই ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করা হয়। যদিও এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিসের তরফে জানা গিয়েছে, অজয় নদ থেকে বালি তুলে তা পাচারের চেষ্টা চলছিল। পুলিসি অভিযান আঁচ করতেই ট্রাক্টর চালকরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়েছে। পলাতক চালকদের খোঁজে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
ঘাট পরিদর্শনের আগেই এদিন দুবরাজপুর থানার তরফে পাঁচটি বালিবোঝাই ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করা হয়। যদিও এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিসের তরফে জানা গিয়েছে, অজয় নদ থেকে বালি তুলে তা পাচারের চেষ্টা চলছিল। পুলিসি অভিযান আঁচ করতেই ট্রাক্টর চালকরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়েছে। পলাতক চালকদের খোঁজে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।



