নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর ও বারাকপুর: ইনিউমারেশন ফর্ম সংগ্রহের পাশাপাশি ডেটা এন্ট্রির অতিরিক্ত চাপের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন বরানগরের বিএলও’রা। সোমবার বরানগর পুরসভার রবীন্দ্রভবনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএলওরা। বলেন, ডেটা এন্ট্রির কাজের চাপ নেওয়া সম্ভব নয়। যারা এই কাজে দক্ষ, তাঁদের দিয়ে করানো হোক। বারাকপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিএলও’দের বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে।
বরানগর পুরসভায় কমিশনের তরফে বিএলওদের নিয়ে ডেটা এন্ট্রির প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষকরা।
শিক্ষক অরুণ অধিকারী বলেন, আমাদের সমস্যা কমিশনের বিবেচনা করা উচিত। ফর্ম সংগ্রহ করে বিএলও অ্যাপে আপলোড করতে হবে। আমরা ডেটা এন্ট্রিতে অভ্যস্ত নই। সবার পক্ষে সেই অ্যাপ চালানো সম্ভব নয়। এই কাজে যাঁরা দক্ষ, তাঁদের দিয়ে করানো হোক। অপর বিক্ষোভকারী নারায়ণ ঘোষ, সুজিত ঘোষ বলেন, আমরা ডেটা এন্ট্রি পারি না। তবুও জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ১০০টি ডেটা এন্ট্রি করতে বলছে। আমরা ডেটা এন্ট্রি করব না।
অন্যদিকে, বুথ লেভেল এজেন্টদের (বিএলএ) প্রশিক্ষণ দেওয়া হল সুকান্ত সদনে। সোমবার বিকেলে দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসআইআর-এর কাজকর্ম, ফর্ম ফিলআপ, দিদির দূত অ্যাপে আপলোড করা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসআইআরের কাজ সম্পর্কে কর্মীদের অবহিত করেন জেলার যুব তৃণমূল সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী এবং দলের চেয়ারম্যান বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ।
এদিকে, বিএলও’দের ভূমিকা নিয়ে মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা জানায় বিজেপির প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ, আবিষ্কার ভট্টাচার্য প্রমুখ।