নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: দাদার বন্ধুর বাড়িতে বিজয়া করতে এসে পাশের বাড়ির পাতাবাহার গাছের ডাল ভেঙেছিলেন অধ্যাপক। আর তার জেরে মারপিট ও রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটল খড়দহে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: দাদার বন্ধুর বাড়িতে বিজয়া করতে এসে পাশের বাড়ির পাতাবাহার গাছের ডাল ভেঙেছিলেন অধ্যাপক। আর তার জেরে মারপিট ও রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটল খড়দহে।
অন্যদিকে, নিমতায় ফলভর্তি বাতাবি লেবুর ডাল রাস্তায় ঝুঁকে পড়েছিল। একটি ডাল আবার পাশের বিদ্যুতের তারে লেগেছিল। সেকারণে, গাছ কাটার নিদান দিয়েছিল প্রতিবেশী। শুধু তাই নয়, বাড়ি থেকে কাটারি এনে গাছ কাটাও শুরু করেছিল। কিন্তু যাদের গাছ তাঁরা বাধা দেওয়ায় হুলস্থুল কাণ্ড বাধে নিমতায়। দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের নামে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
টিটাগড় পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ধূপলাল মিস্ত্রি রোডের বিজলিপাড়া রবীন্দ্রপল্লিতে নামকরা সংস্থার প্রোডাকশন ম্যানেজারের বাড়ি। মঙ্গলবার তাঁর বাড়িতে বিজয়া করতে এসেছিলেন তাঁর সহকর্মী। তিনিও ওই সংস্থার উচ্চপদে কর্মরত। সহকর্মীর সঙ্গে তাঁর অধ্যাপক ভাই এসেছিলেন। তাঁরা পাশের বাড়ির গেটে সুন্দর পাতাবাহার গাছ দেখেন। বাড়িতে লাগানোর জন্য অধ্যাপক একটি ডাল ভাঙেন। তা দেখে সেই বাড়ির এক মহিলা প্রতিবাদ করেন। অধ্যাপক ও মহিলার কথাবার্তা চলার সময় পাড়ার যুবক সাধন শিকদার মারমুখী হয়ে ওঠে। মহিলা চুপ করে গেলেও তিনি গালিগালাজ করার পাশাপাশি প্রোডাকশন ম্যানেজারকে মারধর করেন। তাঁর নাক ফেটে যায়। এরপর তিনি বলরাম হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। খড়দহ থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত সাধন নিজে মারধর করার পর হাসপাতালে গিয়েছিল। নিজে ব্যান্ডেজ বেঁধে থানায় হাজির হয়েছিল। তার দাবি তাকে মারধর করা হয়েছে। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী তার নামে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, উত্তর দমদম পুরসভার বিশরপাড়া উত্তর সপ্তগ্রামের বাসিন্দা মমতা মণ্ডল। তাঁদের একটি বাতাবি লেবুর গাছ বাড়ির পিছনে রাস্তার দিকে ছিল। গাছে প্রচুর লেবু হয়েছে। তাই বেশ কিছু ডাল নুইয়ে রাস্তার উপর ঝুঁকে গিয়েছে। আর কয়েকটি ডাল বিদ্যুতের ডালে লেগেছে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেশী সপরিবারে বাতাবি লেবুর গাছ কাটা শুরু করেন। মমতাদেবীর দুই মেয়ে আটকাতে গেলে তাদের উপর গাছ কাটার কাটারি দিয়ে হামলা চালানো হয়। মেয়েদের বাঁচাতে এসে মমতাদেবীও আক্রান্ত হন। স্থানীয়রা ১০০ ডায়ালে ফোন করে বিষয়টি জানায়। দ্রুত নিমতা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। অভিযুক্ত দীপঙ্কর মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।