Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বোল্লাকালীর পুজো উপলক্ষ্যে হোটেলের খোঁজে হন্যে ভক্তরা

বোল্লাকালীর পুজো উপলক্ষ্যে হোটেলের খোঁজে হন্যে ভক্তরা
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, পতিরাম: আগামী শুক্রবার বালুরঘাটের ঐতিহ্যবাহী বোল্লা কালীপুজো ও মেলায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে। তার আগেই বালুরঘাট শহরে হোটেলগুলিতে পা রাখার জায়গা নেই। দ্বিগুণ ও চড়া দামে হোটেলের রুম বুকিং শেষ। এখনও হোটেলের খোঁজ করে ফিরে যাচ্ছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা। তবে এবার বাংলাদেশি ভক্তদের কার্যত দেখা নেই। সূত্রের খবর, ভিসা পেতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে। তার জেরে এবার বাংলাদেশি ভক্তরা আসছেন না। 
Advertisement
বালুরঘাট শহরে আসা কোচবিহারের শুভজিৎ সরকার বলেন, বোল্লা মেলা উপলক্ষ্যে বালুরঘাটে এসেছি। কিন্তু এখানে একটি হোটেলও পাচ্ছি না। বহু হোটেলে ঘুরলাম। সব জায়গায় বুকিং শেষ হয়ে গিয়েছে। আপাতত এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। 
বালুরঘাটের থানা মোড়ের একটি হোটেলের ম্যানেজার স্বরূপ মণ্ডল বলেন, আমাদের হোটেলে কম দামি থেকে শুরু করে বেশি দামি, সমস্ত রুম বুক হয়ে গিয়েছে। এখনও অনেক ভক্ত এসে ফিরে যাচ্ছেন। আমাদের হোটেলের যা ভাড়া তাই রয়েছে। যদি কোনও ভক্ত শুক্রবার চলে আসেন তবে তাঁদের থাকার জন্য ছাদেই ব্যবস্থা করে দেব। বালুরঘাটের বাসস্টান্ড এলাকার একটি হোটেলের ম্যানেজার অমিত মণ্ডল বলেন, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের নানা জায়গা থেকেই লোক আসছে। অনলাইনেও আমরা বুকিং নিই। কিন্তু এখন হোটেলে আর জায়গা নেই। তবে এবার বাংলাদেশের কেউ আসেনি। শুক্রবার সকাল থেকেই বোল্লা কালী মাতার মন্দির চত্বরে অগণিত ভক্তের ঢল নামবে। তার আগে বেশিরভাগ ভক্তই উত্তরবঙ্গের নানা প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেছেন। অনেকেই হোটেল বুক করে রেখেছেন। তাঁদের বেশিরভাগই শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার। এছাড়াও অসম, ত্রিপুরা থেকেও অনেকে হোটেল বুক করেছেন। দক্ষিণবঙ্গ, কলকাতা, ওড়িশা সহ নানা জায়গার ভক্তরাও রয়েছেন। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে এসময় প্রচুর ভক্ত বালুরঘাটে আসেন। এবছর তাঁদের দেখা মিলছে না।  বালুরঘাট শহর  ও আশপাশে প্রায় ৫০টির বেশি হোটেল রয়েছে। কিন্তু হোটেলে রুমের চাহিদা থাকায় এক হাজার টাকার ভাড়া এখন দুই বা আড়াই হাজার। কার্যত দ্বিগুণ দামে ভক্তদের হোটেল বুক করতে হচ্ছে। বালুরঘাট তো বটেই গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর শহরেও বোল্লা মেলা উপলক্ষ্যে হোটেলের বুকিং প্রায় শেষ। ফলে অনেক ভক্তই হোটেল পাচ্ছেন না। সরকারি হোটেলগুলিতেও বুকিং শুরু হয়েছে। হোটেলে চড়া দাম নিয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, প্রাইভেট হোটেলগুলির দাম তারাই ঠিক করে। বেশি নেওয়া হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। 
সম্পর্কিত সংবাদ