নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ঘুপচি স্যাঁতসেঁতে ঘর, খুপরির মতো জানলা দিয়ে ঠিকমতো আলো ঢোকে না। একপ্রান্তে কাঠের উনুন জ্বেলে চলছে রান্না। সেই ঘরে বসে পড়াশোনার বদলে কাশতে কাশতে অস্থির কচিকাঁচারা। আইসিডিএস কেন্দ্রগুলির চেনা ছবি কতকটা এমনই। এবার সেই ছবি পাল্টাতে উদ্যোগী হল রানাঘাট-২ ব্লক প্রশাসন। আইসিডিএস কেন্দ্র আধুনিক ইংরেজি মাধ্যম প্লে-স্কুলের মতো সাজাতে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ লার্নিং কিট। আপাতত ব্লকের ৭০টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এভাবে সাজিয়ে তোলা হবে।
Advertisement
সরকারি খাতায় ‘আইসিডিএস’ বলে নথিভুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বেশিরভাগেরই পরিবেশ শিশুদের পড়াশোনার সহায়ক নয়। অনেকেই এসমস্ত কেন্দ্রকে ‘খিচুড়ি স্কুল’ বলেও ডাকেন। সেই ছবিটা বদলাতে উদ্যোগী হলেন রানাঘাট-২ এর বিডিও শুভজিৎ জানা। নবনির্মিত ও নতুনভাবে সংস্কার হওয়া একগুচ্ছ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রকে ঝা চকচকে আধুনিক প্লে স্কুলের রূপ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। সেখানে উন্নত প্লে স্কুলের মতো ‘বিল্ডিং এস লার্নিং এইড’-এর (বালা) মাধ্যমে বিশেষ প্রযুক্তিগত শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে খেলার ছলে শিশুরা শিক্ষা নিতে পারে। বছরের প্রথম কর্মদিবসে নিজের এলাকার একাধিক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সেই বিশেষ লার্নিং সেট তুলে দিতে হাজির ছিলেন বিডিও।
রানাঘাট-২ ব্লকের অধীনে ১৪টি পঞ্চায়েত রয়েছে। যেখানে প্রায় ৫৫০-এর কাছাকাছি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে নবনির্মিত ও সংস্কার হওয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংখ্যা ৭০টি। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, দেওয়ালে নতুন রঙের প্রলেপ দেওয়ার পাশাপাশি এসব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভেতরের দেওয়াল বিভিন্ন কার্টুন এবং ইংরেজি বর্ণমালার ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে। যা বিভিন্ন প্লে স্কুলে থাকে। এবার ব্লক প্রশাসন ওই সমস্ত কেন্দ্রে বিশেষ লার্নিং কিট পৌঁছে দিচ্ছে। প্রতিটি সেট পিছু প্রায় তিনহাজার টাকা খরচ হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার নোকারি পঞ্চায়েতের অধীনে মাটিকুমড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সাতসকালে পৌঁছে যান বিডিও নিজে। বেশ কিছুক্ষণ খুদে পড়ুয়াদের সঙ্গে খেলাধুলা করার পাশাপাশি নিজে সেই বিশেষ লার্নিং কিট তুলে দেন।
ব্লক প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি অভিভাবকরা। এমনই একজন সুরেন বিশ্বাস বলেন, আমি পেশায় দিনমজুর। অল্প রোজগারে ছেলেকে ভালো স্কুলে পড়ানোর ক্ষমতা নেই। কিন্তু যেভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র সাজিয়ে তোলা হয়েছে, তা দেখে বেশ ভালো লাগছে।
বিডিও বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র মানে ‘খিচুড়ি স্কুল’-এই ধারণার বদল হওয়া দরকার। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ব্লকের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র আধুনিকীকরণের চেষ্টা চলছে। আমরা প্রাথমিক লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছি। ধীরে ধীরে সমস্ত আইসিডিএস কেন্দ্র সাজিয়ে তোলা হবে।
রানাঘাট-২ ব্লকের অধীনে ১৪টি পঞ্চায়েত রয়েছে। যেখানে প্রায় ৫৫০-এর কাছাকাছি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে নবনির্মিত ও সংস্কার হওয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংখ্যা ৭০টি। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, দেওয়ালে নতুন রঙের প্রলেপ দেওয়ার পাশাপাশি এসব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভেতরের দেওয়াল বিভিন্ন কার্টুন এবং ইংরেজি বর্ণমালার ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে। যা বিভিন্ন প্লে স্কুলে থাকে। এবার ব্লক প্রশাসন ওই সমস্ত কেন্দ্রে বিশেষ লার্নিং কিট পৌঁছে দিচ্ছে। প্রতিটি সেট পিছু প্রায় তিনহাজার টাকা খরচ হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার নোকারি পঞ্চায়েতের অধীনে মাটিকুমড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সাতসকালে পৌঁছে যান বিডিও নিজে। বেশ কিছুক্ষণ খুদে পড়ুয়াদের সঙ্গে খেলাধুলা করার পাশাপাশি নিজে সেই বিশেষ লার্নিং কিট তুলে দেন।
ব্লক প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি অভিভাবকরা। এমনই একজন সুরেন বিশ্বাস বলেন, আমি পেশায় দিনমজুর। অল্প রোজগারে ছেলেকে ভালো স্কুলে পড়ানোর ক্ষমতা নেই। কিন্তু যেভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র সাজিয়ে তোলা হয়েছে, তা দেখে বেশ ভালো লাগছে।
বিডিও বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র মানে ‘খিচুড়ি স্কুল’-এই ধারণার বদল হওয়া দরকার। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ব্লকের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র আধুনিকীকরণের চেষ্টা চলছে। আমরা প্রাথমিক লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছি। ধীরে ধীরে সমস্ত আইসিডিএস কেন্দ্র সাজিয়ে তোলা হবে।



