নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ব্লক সভাপতি বাছাইয়ের জন্য বিধায়কদের পাঠানো তালিকাতেই কি সিলমোহর দেওয়া হবে? তৃণমূলের অন্দরমহলে সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। দলের একাংশের দাবি, ব্লক সভাপতি বাছাইয়ের জন্য বিধায়কদের তিনজনের নামের তালিকা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। সেই কাজ শুরু করেছেন বিধায়করা। জেলায় অনেক ব্লক সভাপতির সঙ্গে বিধায়কদের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। প্রায়শই তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। সেই ব্লক সভাপতিদের এখন রাতের ঘুম চলে গিয়েছে। বিধায়করা আদৌ তাঁদের নাম তালিকায় রাখবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন। কোনও কোনও ব্লকে বিধায়ক অনুগামীরা বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছেন। এবার ‘খেলা হবে’ বলে তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন।
Advertisement
কয়েকজন ব্লক সভাপতির ভূমিকা নিয়ে দলে প্রশ্ন রয়েছে। ক্ষমতা পাওয়ার পর আর্থিক সমৃদ্ধিও চোখে পড়ার মতো। দামি গাড়ি, নজরকাড়া বাড়ি সবই রয়েছে। কয়েক বছরে তদের চালচলন বদলে গিয়েছে বলে কর্মীদের অনেকরই অভিযোগ। যদিও দলের অন্য অংশের দাবি, বিধায়করা নাম সুপারিশ করতে পারেন। তবে তাঁদের তালিকা চূড়ান্ত নাও হতে পারে। দলের এখন নিজস্ব নেটওয়ার্ক রয়েছে। সেই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে নতুন ব্লক সভাপতি বাছাই হতে পারে। অনেক বিধায়কের সাংগঠনিক দক্ষতা নেই। ব্লক সভাপতিদের অঙ্গুলিহেলনে সংগঠন চলে। সাপে-নেউলে সম্পর্ক থাকা ব্লক সভাপতিদের নাম তালিকায় না থাকলে স্থানীয়ভাবে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামে বিধায়কের সঙ্গে ব্লক সভাপতি দ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। দু’পক্ষই শক্তি জাহির করতে পাল্টা কর্মসূচি করছে। প্রকাশ্য সভায় একে অপরকে তারা তোপ দাগতেও ছাড়ছে না। খণ্ডঘোষে দুই গাষ্ঠীর রেষারেষি জেলা রাজনীতিতে চর্চিত বিষয়। মেমারি-১ ব্লকেও দড়ি টানাটানি রয়েছে। জেলার আরও কয়েকটি ব্লকেও নিজেদের মধ্যে দূরত্ব রয়েছে। দলের এক নেতা বলেন, সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে রদবদল হবে। কয়েকজন একাধিক পদে রয়েছেন। তাঁদের বিষয়টি দল ভাবনাচিন্তা করছে। শাখা সংগঠনগুলিতেও পরিবর্তন আসতে চলেছে। সামনের বছরই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সংগঠন ঢেলে সাজা হবে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, এবিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে দু’টি কেন্দ্রে জয়ী হলেও শহরগুলিতে তৃণমূল নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিটি শহরের সংগঠনে আমূল পরিবর্তন করা হবে। শহর সভাপতি পদে দলের পুরনোদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। ধাপে ধাপে ওয়ার্ড সভাপতিও বদল করা হবে। বিধানসভা নির্বাচনে শহরগুলিকে বাড়তি নজর দিয়েই দল ময়দানে নামবে। কিছুদিনের মধ্যে সংগঠনিক রদবদলের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামে বিধায়কের সঙ্গে ব্লক সভাপতি দ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। দু’পক্ষই শক্তি জাহির করতে পাল্টা কর্মসূচি করছে। প্রকাশ্য সভায় একে অপরকে তারা তোপ দাগতেও ছাড়ছে না। খণ্ডঘোষে দুই গাষ্ঠীর রেষারেষি জেলা রাজনীতিতে চর্চিত বিষয়। মেমারি-১ ব্লকেও দড়ি টানাটানি রয়েছে। জেলার আরও কয়েকটি ব্লকেও নিজেদের মধ্যে দূরত্ব রয়েছে। দলের এক নেতা বলেন, সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে রদবদল হবে। কয়েকজন একাধিক পদে রয়েছেন। তাঁদের বিষয়টি দল ভাবনাচিন্তা করছে। শাখা সংগঠনগুলিতেও পরিবর্তন আসতে চলেছে। সামনের বছরই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সংগঠন ঢেলে সাজা হবে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, এবিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে দু’টি কেন্দ্রে জয়ী হলেও শহরগুলিতে তৃণমূল নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিটি শহরের সংগঠনে আমূল পরিবর্তন করা হবে। শহর সভাপতি পদে দলের পুরনোদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। ধাপে ধাপে ওয়ার্ড সভাপতিও বদল করা হবে। বিধানসভা নির্বাচনে শহরগুলিকে বাড়তি নজর দিয়েই দল ময়দানে নামবে। কিছুদিনের মধ্যে সংগঠনিক রদবদলের তালিকা প্রকাশ করা হবে।



