নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ঠিকাদার বনাম ঠিকাদারের মারামারিতে উত্তেজনা ছড়াল মহিষাদল বিডিও অফিস চত্বরে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় টয়লেট নির্মাণের ই-টেন্ডার ডেকেছে মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতি। সেই টেন্ডার পাওয়া নিয়ে দুই ঠিকাদারের ঝামেলা। শুধু তাই নয়, খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাচক্রে দু’জনই শাসক দলের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার বলে এলাকায় পরিচিত। একজন তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি। অন্যজন ঠিকাদার সংগঠনের নেতা। ঘটনার পর দু’জনেই মহিষাদলের বিধায়ক তিলক চক্রবর্তীর কাছে একে অপরের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়েছেন। অমিতকুমার বাগ নামে এক ঠিকাদার এনিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন। স্বরূপ দাসঅধিকারী নামে অপর ঠিকাদার তাঁর উপর হামলা এবং খুনের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ।
Advertisement
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এক লক্ষ টাকার বেশি কাজ হলে ই-টেন্ডার বাধ্যতামূলক। মহিষাদল ব্লকেও সেই নিয়ম মেনে এক লক্ষ টাকার বেশি কাজে ই-টেন্ডার হয়। কিন্তু, সেই টেন্ডারে সকলে অংশ নিতে পারেন না বলে অভিযোগ। ঠিকাদার সংগঠনের পক্ষ থেকে অলিখিতভাবে কাজেরে ভাগ-বণ্টন করা হয়। কারা কোন ই-টেন্ডারে আবেদন করবেন, সেটা কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন থেকেই ঠিক করে দেওয়া হয়। যদিও এটি বেআইনি। কিন্তু, এই বেআইনি কাজকেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে সিস্টেম করে ফেলা হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। বরাত পাওয়া ঠিকাদারকে অগ্রিম চার শতাংশ টাকা দিতে হয় বলেও অভিযোগ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্বয়ং মহিষাদলের ঠিকাদার তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বুথ সভাপতি অমিতবাবুও এমন অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন।
ঝামেলার সূত্রপাত শনিবার বিকেল ৪টা নাগাদ। পঞ্চায়েত সমিতির অফিস থেকে টয়লেট তৈরির ই-টেন্ডার প্রকাশ হয়েছে। ওই টেন্ডার কারা পাবে, তানিয়ে ঝামেলা বাধে। অমিতবাবু ওই টেন্ডারে আবেদন করতে আগ্রহী বলে সংগঠনকে জানান। যদিও সংগঠনের নেতা স্বরূপবাবু তাঁকে ওই ই-টেন্ডারে আবেদন না করার নির্দেশ দেন বলে অমিতবাবুর দাবি। এনিয়েই দু’জনের ঝামেলা বাধে। বিডিও অফিস চত্বরে সেই ঝামেলা চলাকালীন অমিতবাবুকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করান। অমিতবাবু থানায় অভিযোগপত্রে হাসপাতালের ইনজুরি রিপোর্টও জুড়েছেন।
বিডিও অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে ঠিকাদার বনাম ঠিকাদার ঝামেলায় মহিষাদল সরগরম। ঘটনাটিকে লুফে নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়েছে বিজেপি। দলের নেতা তথা ইটামগরা-২ পঞ্চায়েত প্রধান রামকৃষ্ণ দাস বলেন, ‘ঠিকাদারদের মধ্যে দু’টি গোষ্ঠী রয়েছে। শাসক দলের নেতাদের খুশি করে একটা গোষ্ঠী কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব দেখায়। কমিশন আদায় করে। এনিয়ে দু’পক্ষের ঝামেলা চলছে।’
অভিযোগকারী অমিতবাবু বলেন, ‘সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ই-টেন্ডারে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। কিন্তু, এই ব্লকে সেরকমটা হয় না। সংগঠন থেকেই সবটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কাজ শুরু করার আগেই চার শতাংশ কমিশন দিতে হয়। টয়লেট তৈরির টেন্ডারে আমি আবেদন করার ইচ্ছাপ্রকাশ করাতেই হামলা। প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।’ সম্পূর্ণ মিথ্য আভিযোগ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ঠিকাদার সংগঠনের নেতা স্বরূপ দাসঅধিকারী। তিনি বলেন, ‘অমিতবাবু মিথ্যা কথা বলছেন। এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি।’ মহিষাদলের বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের মহিষাদলে সরকারি কাজ পাওয়া নিয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে ঝামেলা হয় না।’ মহিষাদল থানার ওসি নাড়ুগোপাল বিশ্বাস বলেন, ‘একটা অভিযোগ এসেছে। আমরা তদন্ত করছি।’
ঝামেলার সূত্রপাত শনিবার বিকেল ৪টা নাগাদ। পঞ্চায়েত সমিতির অফিস থেকে টয়লেট তৈরির ই-টেন্ডার প্রকাশ হয়েছে। ওই টেন্ডার কারা পাবে, তানিয়ে ঝামেলা বাধে। অমিতবাবু ওই টেন্ডারে আবেদন করতে আগ্রহী বলে সংগঠনকে জানান। যদিও সংগঠনের নেতা স্বরূপবাবু তাঁকে ওই ই-টেন্ডারে আবেদন না করার নির্দেশ দেন বলে অমিতবাবুর দাবি। এনিয়েই দু’জনের ঝামেলা বাধে। বিডিও অফিস চত্বরে সেই ঝামেলা চলাকালীন অমিতবাবুকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করান। অমিতবাবু থানায় অভিযোগপত্রে হাসপাতালের ইনজুরি রিপোর্টও জুড়েছেন।
বিডিও অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে ঠিকাদার বনাম ঠিকাদার ঝামেলায় মহিষাদল সরগরম। ঘটনাটিকে লুফে নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়েছে বিজেপি। দলের নেতা তথা ইটামগরা-২ পঞ্চায়েত প্রধান রামকৃষ্ণ দাস বলেন, ‘ঠিকাদারদের মধ্যে দু’টি গোষ্ঠী রয়েছে। শাসক দলের নেতাদের খুশি করে একটা গোষ্ঠী কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব দেখায়। কমিশন আদায় করে। এনিয়ে দু’পক্ষের ঝামেলা চলছে।’
অভিযোগকারী অমিতবাবু বলেন, ‘সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ই-টেন্ডারে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। কিন্তু, এই ব্লকে সেরকমটা হয় না। সংগঠন থেকেই সবটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কাজ শুরু করার আগেই চার শতাংশ কমিশন দিতে হয়। টয়লেট তৈরির টেন্ডারে আমি আবেদন করার ইচ্ছাপ্রকাশ করাতেই হামলা। প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।’ সম্পূর্ণ মিথ্য আভিযোগ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ঠিকাদার সংগঠনের নেতা স্বরূপ দাসঅধিকারী। তিনি বলেন, ‘অমিতবাবু মিথ্যা কথা বলছেন। এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি।’ মহিষাদলের বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের মহিষাদলে সরকারি কাজ পাওয়া নিয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে ঝামেলা হয় না।’ মহিষাদল থানার ওসি নাড়ুগোপাল বিশ্বাস বলেন, ‘একটা অভিযোগ এসেছে। আমরা তদন্ত করছি।’



