Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ব্লকে ব্লকে শহিদ দিবস পালন করে প্রাসঙ্গিক হতে মরিয়া জীবন সিংহ

ব্লকে ব্লকে শহিদ দিবস পালন করে প্রাসঙ্গিক হতে মরিয়া জীবন সিংহ
  • ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: প্রতিবছর ২৬ ডিসেম্বর দিনটি ‘শহিদ দিবস’ হিসেবে পালন করেন কামতাপুরিরা। অতীতে এই দিনটিতে কেএলও সদস্যরা নিজেদের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে নাশকতার মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে। তবে এক সময়ে ভারত ও মায়ানমার সীমান্তের গোপন ডেরায় ‘শহিদ দিবস’ পালন করলেও এবছর প্রতিটি ব্লকে শহিদ দিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিল (কেএসডিসি) সহ পৃথক রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন করা বিভিন্ন সংগঠন। এমনকী, উত্তরবঙ্গ ছড়িয়ে অসমেও শহিদ দিবস পালনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। 
Advertisement
কেএসডিসিকে সামনে রেখেই শহিদ দিবস পালনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বয়ং জীবন সিংহ। আর এই শহিদ দিবসের মধ্য দিয়ে ছাব্বিশের ভোটের আগে পৃথক রাজ্যের ‘সুড়সুড়ি’ সহ আন্দোলন জোরদার করতে চাইছে জীবন ঘনিষ্ঠরা। এর আগেও জীবন সিংহের ছবি নিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা গিয়েছে হাজার হাজার মানুষকে। 
ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এভাবেই সাধারণ মানুষদের একত্রিত করে ফের নতুন করে পৃথক রাজ্যের জোরালো দাবি তুলতে চাইছে অস্ত্র ছেড়ে শান্তির পথে আসা জীবন। সেদিন পৃথক রাজ্যের দাবিতে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য শপথ নেবেন তাঁরা। আর তাতেই উত্তরবঙ্গ ফের উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে।
২০০০ সালে আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে পুলিসের গুলিতে নিহত হন তিন যুবক। সেই দিনটিকে স্মরণ করেই পরবর্তীতে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে থাকে পৃথক রাজ্যের দাবি করা বিভিন্ন সংগঠন। জীবন সিংহ মায়ানমার জঙ্গল ছেড়ে শান্তির পথে ফিরে আসার পরেও কেন্দ্রীয় সরকার এখনও শান্তি আলোচনায় বসেনি। শান্তি আলোচনার দাবিতে ৩২ টি সংগঠন একত্রিত হয়ে তৈরি হয়েছে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিল। 
আর এই কাউন্সিলের শান্তি আলোচনার পাশাপাশি মূল দাবি পৃথক রাজ্য। কেএসডিসির সভাপতি তপতী মল্লিক বলেন, আমরা প্রতিটি ব্লকে দিনটি উদযাপন করার উদ্যোগ নিয়েছি। কুমারগ্রামের জীবন সিংহের বাড়ি থেকে শুরু করে অসম পর্যন্ত শহিদ দিবস পালন করা হবে। শুধু ২০০০ সালের কুমারগ্রামের তিনজন আন্দোলনকারীকে স্মরণ করাই শুধু নয়, এই আন্দোলনে যাঁরাই শহিদ হয়েছেন, সবাইকে স্মরণ করা হবে। কামতাপুর আন্দোলনের নেতা পঞ্চানন মল্লিককেও এই দিনটিতে স্মরণ করা হবে। 
সম্পর্কিত সংবাদ